চোটের যন্ত্রণায় অবসরের কথাও ভেবেছিলেন নেইমার
গুরুতর চোটের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই করতে গিয়ে একপর্যায়ে ফুটবল ছাড়ার কথাও ভেবেছিলেন ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমার। এমনই বিস্ময়কর তথ্য প্রকাশ করেছেন তাঁর বাবা ও এজেন্ট নেইমার দা সিলভা সান্তোস সিনিয়র।
সম্প্রতি এক ইউটিউব সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, বাঁ হাঁটুর মেনিস্কাসে চোট পাওয়ার পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন নেইমার। গত মৌসুমের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে চোট নিয়েই সান্তোসের হয়ে মাঠে নামেন এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। পরে ২২ ডিসেম্বর তাঁর বাঁ হাঁটুতে ছোট অস্ত্রোপচার করা হয়।
বাবার ভাষায়, চোটের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ পাওয়ার পরই নেইমার মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, “আমি ওর বাসায় গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, কেমন আছিস? তখন ও বলল—‘আমি আর পারছি না বাবা। অপারেশন করি, কিন্তু সত্যি বলতে কী, জানি না আদৌ সবকিছু চালিয়ে যাওয়া ঠিক হবে কিনা।’”
এই কথোপকথনের সময় নেইমারের বয়স ছিল ৩৩ বছর। বাবার মতে, তখন তাঁর ছেলে প্রায় সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেছিলেন যে ফুটবল থেকে সরে দাঁড়াবেন।
তবে বাবা হিসেবে তিনি ছেলেকে দুইটি বিষয়ের দিকে মনোযোগ দিতে বলেন—সমালোচনার জবাব মাঠে ফিরে দিয়ে দেওয়া এবং বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন আঁকড়ে ধরা। তিনি বলেন, “আমি ওকে বল
গুরুতর চোটের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই করতে গিয়ে একপর্যায়ে ফুটবল ছাড়ার কথাও ভেবেছিলেন ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমার। এমনই বিস্ময়কর তথ্য প্রকাশ করেছেন তাঁর বাবা ও এজেন্ট নেইমার দা সিলভা সান্তোস সিনিয়র।
সম্প্রতি এক ইউটিউব সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, বাঁ হাঁটুর মেনিস্কাসে চোট পাওয়ার পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন নেইমার। গত মৌসুমের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে চোট নিয়েই সান্তোসের হয়ে মাঠে নামেন এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। পরে ২২ ডিসেম্বর তাঁর বাঁ হাঁটুতে ছোট অস্ত্রোপচার করা হয়।
বাবার ভাষায়, চোটের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ পাওয়ার পরই নেইমার মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, “আমি ওর বাসায় গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, কেমন আছিস? তখন ও বলল—‘আমি আর পারছি না বাবা। অপারেশন করি, কিন্তু সত্যি বলতে কী, জানি না আদৌ সবকিছু চালিয়ে যাওয়া ঠিক হবে কিনা।’”
এই কথোপকথনের সময় নেইমারের বয়স ছিল ৩৩ বছর। বাবার মতে, তখন তাঁর ছেলে প্রায় সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেছিলেন যে ফুটবল থেকে সরে দাঁড়াবেন।
তবে বাবা হিসেবে তিনি ছেলেকে দুইটি বিষয়ের দিকে মনোযোগ দিতে বলেন—সমালোচনার জবাব মাঠে ফিরে দিয়ে দেওয়া এবং বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন আঁকড়ে ধরা। তিনি বলেন, “আমি ওকে বলেছি, যদি অপারেশন করিয়ে সুস্থ হয়ে ফিরতে চাস, আমি তোর পাশে আছি।”
২০২৩ সালের অক্টোবরে ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে খেলতে গিয়ে নেইমার এসিএল ও মেনিস্কাস—দুটোতেই চোট পান। সেই থেকে দীর্ঘ সময় ধরেই ইনজুরি সমস্যায় ভুগছেন তিনি।
নেইমারের বাবা আরও জানান, অপারেশনের আগের দিন সকালে অনুশীলনে নেমে বল মারার সময় হঠাৎ করেই আত্মবিশ্বাস ফিরে পান নেইমার। “ও তখন বলল—‘আমি পারব।’ এরপর ম্যাচে নেমে গোল করল। গোল করার পর আমার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘আমি শেষ পর্যন্ত যাব।’”
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে সান্তোসে ফেরার পর ব্রাজিলিয়ান সিরি আ-তে অর্ধেকেরও কম ম্যাচ খেললেও নেইমারের অবদান ছিল গুরুত্বপূর্ণ। আটটি লিগ গোল করেন তিনি, যার চারটি আসে মৌসুমের শেষ দিকের ম্যাচগুলোতে—যা দলকে অবনমন থেকে রক্ষা করতে বড় ভূমিকা রাখে।
চিকিৎসকরা আশা করছেন, চলতি মাসের শেষ দিকে শুরু হতে যাওয়া নতুন মৌসুমের আগেই পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠবেন নেইমার। উল্লেখ্য, ব্রাজিলের জার্সিতে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা তিনি—১২৮ ম্যাচে করেছেন ৭৯ গোল এবং খেলেছেন তিনটি বিশ্বকাপ।