চৌদ্দগ্রামে ফটকা ফাটিয়ে কেন্দ্রে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগন্নাথদিঘি ইউনিয়নের আতাকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভারতীয় ফটকা ফাটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করে দুর্বৃত্তরা। এসময় ভোটাররা আতঙ্কিত হয়ে এদিক সেদিক ছোটাছুটি শুরু করে।  বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।  কেন্দ্রে থাকা বিএনপির প্রার্থীর সমর্থকরা অভিযোগ করেছেন, সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ নষ্ট করতে জামায়াত-শিবিরের লোকজন ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। তবে জামায়াত প্রার্থীর লোকজন এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে কেন্দ্র থেকে ৩০০ মিটার দূরে। এ সময় সেনাবাহিনী ও বিজিবির সদস্যরা দ্রুত কেন্দ্রে এসে দুইপক্ষকে ধাওয়া দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অন্তত সাতটি বিস্ফোরণের শব্দ ঘটেছে। বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে দায়িত্ব পালনকারী সাইফুর রহমান বলেন, দুপুর ১২টার দিকে জামায়াত-শিবিরের কয়েকজন এসে বলে, সবাই চলে যান, আর ভোট দিতে হবে না। এরপর কেন্দ্রের পাশে দুই দিক থেকে অন্তত সাতটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ভোটাররা প্রাণে বাঁচতে দিগ্বিদিক ছোটাছুটি শুরু করে। তারা কেন্দ্রটি দখলে নিতে চায়। এদিকে কেন্দ্রটিতে জামায়াতের প্রার্থীর নির্বাচনী

চৌদ্দগ্রামে ফটকা ফাটিয়ে কেন্দ্রে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগন্নাথদিঘি ইউনিয়নের আতাকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভারতীয় ফটকা ফাটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করে দুর্বৃত্তরা। এসময় ভোটাররা আতঙ্কিত হয়ে এদিক সেদিক ছোটাছুটি শুরু করে।  বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।  কেন্দ্রে থাকা বিএনপির প্রার্থীর সমর্থকরা অভিযোগ করেছেন, সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ নষ্ট করতে জামায়াত-শিবিরের লোকজন ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। তবে জামায়াত প্রার্থীর লোকজন এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে কেন্দ্র থেকে ৩০০ মিটার দূরে। এ সময় সেনাবাহিনী ও বিজিবির সদস্যরা দ্রুত কেন্দ্রে এসে দুইপক্ষকে ধাওয়া দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অন্তত সাতটি বিস্ফোরণের শব্দ ঘটেছে। বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে দায়িত্ব পালনকারী সাইফুর রহমান বলেন, দুপুর ১২টার দিকে জামায়াত-শিবিরের কয়েকজন এসে বলে, সবাই চলে যান, আর ভোট দিতে হবে না। এরপর কেন্দ্রের পাশে দুই দিক থেকে অন্তত সাতটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ভোটাররা প্রাণে বাঁচতে দিগ্বিদিক ছোটাছুটি শুরু করে। তারা কেন্দ্রটি দখলে নিতে চায়। এদিকে কেন্দ্রটিতে জামায়াতের প্রার্থীর নির্বাচনী সমন্বয়ক তৌহিদুর আজম বলেন, আমরা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। এ ঘটনায় কোনোভাবেই জামায়াতের লোকজন জড়িত নেই। যেদিক থেকে আতশবাজি ফোটানো হয়েছে, ওই পাশে বিএনপির লোকজন অবস্থান করছিল। কিছু করে থাকলে তাদেরই করার কথা। তারা পরিকল্পিতভাবে জামায়াতের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে। প্রিসাইডিং অফিসার আতিকুল ইসলাম বলেন, সকাল থেকেই শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ চলছিল। কোনো একটি পক্ষ সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ নষ্ট করতে এমন বিস্ফোরণ ঘটায়। তবে পাশেই সেনাবাহিনী থাকায় দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক মো. রাশেদ বলেন, দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে মানুষ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিচ্ছিল। এমন সময় ককটেলের মতো কিছু শব্দ আমরা শুনেছি। পরে সেনাবাহিনী ও বিজিবির সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে আসে। এখন স্বাভাবিক ও ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow