ছাগল ধরতে নিচে নামে হিমালয়ান শকুন

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে বিরল প্রজাতির একটি হিমালয়ান শকুন উদ্ধার করেছে এলাকাবাসী। শকুনটিকে দিনাজপুরের সিংড়া ফরেস্টে পাঠানো হবে। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার চিলাহাটি ইউনিয়নের ভাউলাগঞ্জ বানিয়াপুর প্রধান পাড়া এলাকা থেকে শকুনটি উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে বানিয়াপুর প্রধান পাড়া এলাকার একটি কৃষিজমির পাশে ছাগল বাঁধা ছিল। ছাগল ধরার উদ্দেশ্যে শকুনটি নিচে নামার সময় গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে পড়ে যায় এবং জমিতে ব্যবহৃত জালের সঙ্গে আটকে পড়ে। পরে স্থানীয় কৃষক আক্কেল আলী ও তার ছেলে তারেক শকুনটিকে দেখতে পেয়ে উদ্ধার করেন। খবরটি জানাজানি হলে এলাকাবাসী বিষয়টি দেবীগঞ্জ উপজেলা বন বিভাগকে অবহিত করে। পরে বন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে শকুনটিকে উদ্ধার করে দেবীগঞ্জ উপজেলা রেঞ্জ কর্মকর্তার কার্যালয়ে নিয়ে আসে। এ বিষয়ে দেবীগঞ্জ উপজেলা বনবিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মঞ্জুরুল করিম বলেন, সন্ধ্যায় একটি হিমালয়ান শকুন উদ্ধার করা হয়েছে। শকুনটির ওজন আনুমানিক ৯ কেজি। স্থানীয়রা খবর দিলে বন বিভাগের স্টাফরা গিয়ে সেটিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। শুক্রবার শকুনটিকে দিনাজপুরের সিংড়া ফরেস্টে প

ছাগল ধরতে নিচে নামে হিমালয়ান শকুন

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে বিরল প্রজাতির একটি হিমালয়ান শকুন উদ্ধার করেছে এলাকাবাসী। শকুনটিকে দিনাজপুরের সিংড়া ফরেস্টে পাঠানো হবে।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার চিলাহাটি ইউনিয়নের ভাউলাগঞ্জ বানিয়াপুর প্রধান পাড়া এলাকা থেকে শকুনটি উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে বানিয়াপুর প্রধান পাড়া এলাকার একটি কৃষিজমির পাশে ছাগল বাঁধা ছিল। ছাগল ধরার উদ্দেশ্যে শকুনটি নিচে নামার সময় গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে পড়ে যায় এবং জমিতে ব্যবহৃত জালের সঙ্গে আটকে পড়ে। পরে স্থানীয় কৃষক আক্কেল আলী ও তার ছেলে তারেক শকুনটিকে দেখতে পেয়ে উদ্ধার করেন। খবরটি জানাজানি হলে এলাকাবাসী বিষয়টি দেবীগঞ্জ উপজেলা বন বিভাগকে অবহিত করে। পরে বন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে শকুনটিকে উদ্ধার করে দেবীগঞ্জ উপজেলা রেঞ্জ কর্মকর্তার কার্যালয়ে নিয়ে আসে।

এ বিষয়ে দেবীগঞ্জ উপজেলা বনবিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মঞ্জুরুল করিম বলেন, সন্ধ্যায় একটি হিমালয়ান শকুন উদ্ধার করা হয়েছে। শকুনটির ওজন আনুমানিক ৯ কেজি। স্থানীয়রা খবর দিলে বন বিভাগের স্টাফরা গিয়ে সেটিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। শুক্রবার শকুনটিকে দিনাজপুরের সিংড়া ফরেস্টে পাঠানো হবে।

উল্লেখ্য, হিমালয়ান শকুন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম শিকারি পাখি এবং এশিয়ার অন্যতম বড় শকুন প্রজাতি। ‘হিমালয়ান গৃধিনী’ নামে পরিচিত। হিমালয় পর্বতমালা ও তিব্বতি মালভূমি এদের প্রধান আবাসস্থল। প্রতি বছর শীতকালে (অক্টোবর থেকে মার্চ) প্রচণ্ড ঠান্ডা ও খাবারের সন্ধানে এরা পরিযায়ী হয়ে বাংলাদেশে আসে। দীর্ঘ এই যাত্রায় ক্লান্ত ও ক্ষুধার্ত হয়ে অনেক সময় লোকালয় কিংবা ধানক্ষেতে অসহায় অবস্থায় পড়ে যেতে দেখা যায়।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow