ছাত্রদলের কমিটি বাতিলের দাবিতে চতুর্থ দিনেও নোয়াখালীতে বিক্ষোভ

সদ্য ঘোষিত নোয়াখালী জেলা ছাত্রদল, পৌরসভা ও সদর উপজেলা কমিটি কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি চলমান রেখেছে পদবঞ্চিত ত্যাগী নেতাকর্মীরা। ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের চলমান এই কর্মসূচির কারণে শহরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেলে চতুর্থ দিনের মতো বিক্ষোভ মিছিল করেছে সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা। জেলা জামে মসজিদের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে মাইজদী পৌর বাজার প্রদক্ষিণ করে। পরে জিলা স্কুলের সামনে অবস্থান নিয়ে সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশ করে তারা। এতে বক্তব্য রাখেন, জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত শুভ, সদর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক শাহেদ বাবু, নোয়াখালী পৌরসভা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক মো. ওয়াসিম, সাবেক সদস্য সচিব জিহাদুল ইসলাম সজীব ও নোয়াখালী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন প্রমুখ।   বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, গত ২ মে রাতে কেন্দ্র থেকে নোয়াখালী জেলা, সদর উপজেলা ও নোয়াখালী পৌরসভা ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা করা হয়। যেখানে পদ পাওয়া বেশিরভাগ সদস্যের ছাত্রত্ব নেই, অনেকেই রয়েছেন বিবাহিত, অষ্টম শ্রেণি পাশ রয়েছেন কয়েকজন।

ছাত্রদলের কমিটি বাতিলের দাবিতে চতুর্থ দিনেও নোয়াখালীতে বিক্ষোভ
সদ্য ঘোষিত নোয়াখালী জেলা ছাত্রদল, পৌরসভা ও সদর উপজেলা কমিটি কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি চলমান রেখেছে পদবঞ্চিত ত্যাগী নেতাকর্মীরা। ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের চলমান এই কর্মসূচির কারণে শহরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেলে চতুর্থ দিনের মতো বিক্ষোভ মিছিল করেছে সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা। জেলা জামে মসজিদের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে মাইজদী পৌর বাজার প্রদক্ষিণ করে। পরে জিলা স্কুলের সামনে অবস্থান নিয়ে সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশ করে তারা। এতে বক্তব্য রাখেন, জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত শুভ, সদর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক শাহেদ বাবু, নোয়াখালী পৌরসভা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক মো. ওয়াসিম, সাবেক সদস্য সচিব জিহাদুল ইসলাম সজীব ও নোয়াখালী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন প্রমুখ।   বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, গত ২ মে রাতে কেন্দ্র থেকে নোয়াখালী জেলা, সদর উপজেলা ও নোয়াখালী পৌরসভা ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা করা হয়। যেখানে পদ পাওয়া বেশিরভাগ সদস্যের ছাত্রত্ব নেই, অনেকেই রয়েছেন বিবাহিত, অষ্টম শ্রেণি পাশ রয়েছেন কয়েকজন। ইতোমধ্যে ওইসব কমিটি থেকে ১০ জন পদত্যাগ করেছেন।  নোয়াখালী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন অভিযোগ করে বলেন, সদ্য সংগঠন বহির্ভূত কার্যকলাপের অভিযোগ এনে নোয়াখালী সরকারি কলেজের পদ স্থগিত করা ও বিভিন্ন সময় দল থেকে বহিষ্কার হওয়া নেতাদের ঘোষিত কমিটিগুলোতে পদ দেওয়া হয়েছে। অথচ ওই সব নেতাদের সাথে বহিষ্কার হওয়া অন্য নেতাদের বহিষ্কারাদেশ এখনও প্রত্যাহার করা হয়নি। এতে সবাই পরিষ্কার ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে নিজের একক ক্ষমতা ব্যবহার করে তার ইচ্ছে মতো অযোগ্য লোকদের দিয়ে পকেট কমিটি করেছেন। বক্তারা জানান, দ্রুত সময়ের মধ্যে তার (নাসির) ব্যক্তিগত পকেট কমিটি বিলুপ্ত করে যোগ্য নেতৃত্ব দেওয়া নেতাদের নেতৃত্বে নতুন কমিটি ঘোষণা করার জন্য বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা। দ্রুত সময়ের মধ্যেই এ পকেট কমিটি বাতিল না করা হলে আরও কঠোর কর্মসূচিতে যাওয়ার কথা জানান তারা। নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এনবিএস রাসেল বলেন, ‘ছাত্রদল নেতা আকবর হোসেনের আপন চাচাতো ভাই বাপ্পী জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি নিজেকে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি প্রার্থী দাবি করে এসব কর্মসূচি পরিচালনা করছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির আগামীর নোয়াখালীর রাজনীতির ভবিষ্যৎ। স্থানীয় রাজনীতিতে তাকে বিতর্কিত করার উদ্দেশ্যে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে এসব কর্মসূচি করাচ্ছে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow