ছাত্রদলের ধাওয়া খেয়ে থানায় আশ্রয় নিলেন শিবিরের নেতা-কর্মীরা

মাগুরার শ্রীপুর সরকারি কলেজের সামনে শিবিরের সিরাত প্রতিযোগিতার প্রচারণামূলক পোস্টার লাগানোর কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। একপর্যায়ে ছাত্রদলের ধাওয়া খেয়ে থানায় আশ্রয় নেন শিবিরের নেতা-কর্মীরা। শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে শ্রীপুর সরকারি কলেজের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, সিরাত প্রতিযোগিতার প্রচারণার জন্য কলেজের সামনে পোস্টার লাগানোনোর সময় ছাত্রদলের শ্রীপুর সরকারি কলেজ শাখার সভাপতি মেহেদী হাসান অন্তর তাদের বাধা দেন। এসময় গালিগালাজ করে পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা এবং একজনের মোবাইলফোন নিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করেন তারা। আরও পড়ুন ডাকসু / শিবির সমর্থিত প্যানেলের ৩৬ দফা প্রতিশ্রুতির কতটা বাস্তবায়ন হলো?   শ্রীপুর উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি রিফাত বলেন, বিষয়টি শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলি মিয়াকে জানালে তিনি থানায় এসে দেখা করতে বলেন। আমরা কয়েকজন থানায় গিয়ে তাকে না পেয়ে আবারও অবশিষ্ট পোস্টার লাগিয়ে ফিরে আসছিলাম। এসময় ছাত্রদলের কর্মীরা আমাদের উদ্দেশ করে গালিগালাজ করতে থাকেন। আমরা কোনো প্রতিক্রিয়া না দেখালেও তারা রামদা,

ছাত্রদলের ধাওয়া খেয়ে থানায় আশ্রয় নিলেন শিবিরের নেতা-কর্মীরা

মাগুরার শ্রীপুর সরকারি কলেজের সামনে শিবিরের সিরাত প্রতিযোগিতার প্রচারণামূলক পোস্টার লাগানোর কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। একপর্যায়ে ছাত্রদলের ধাওয়া খেয়ে থানায় আশ্রয় নেন শিবিরের নেতা-কর্মীরা।

শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে শ্রীপুর সরকারি কলেজের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, সিরাত প্রতিযোগিতার প্রচারণার জন্য কলেজের সামনে পোস্টার লাগানোনোর সময় ছাত্রদলের শ্রীপুর সরকারি কলেজ শাখার সভাপতি মেহেদী হাসান অন্তর তাদের বাধা দেন। এসময় গালিগালাজ করে পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা এবং একজনের মোবাইলফোন নিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করেন তারা।

 

শ্রীপুর উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি রিফাত বলেন, বিষয়টি শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলি মিয়াকে জানালে তিনি থানায় এসে দেখা করতে বলেন। আমরা কয়েকজন থানায় গিয়ে তাকে না পেয়ে আবারও অবশিষ্ট পোস্টার লাগিয়ে ফিরে আসছিলাম। এসময় ছাত্রদলের কর্মীরা আমাদের উদ্দেশ করে গালিগালাজ করতে থাকেন। আমরা কোনো প্রতিক্রিয়া না দেখালেও তারা রামদা, লাঠিসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া করে অতর্কিত হামলা চালান।

তিনি আরও বলেন, ‌‘আমরা থানায় গিয়ে আশ্রয় নিয়েছি। এখনো থানায় আছি। ছাত্রদলের ছেলেরা থানার আশপাশে ঘোরাঘুরি করছে। আমরা কখন বের হবো, তা নিয়েও আতঙ্কের মধ্যে আছি।’

 

এ বিষয়ে শ্রীপুর সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মেহেদী হাসান অন্তর বলেন, ‘সকালে আমি কলেজে গিয়ে দেখি শিবিরের ছেলেরা কলেজের প্রধান ফটকে পোস্টার লাগাচ্ছেন। আমি তাদের প্রধান ফটকে পোস্টার না লাগিয়ে অন্য জায়গায় লাগানোর অনুরোধ করি। কোনো গালাগালি করিনি, পোস্টারও ছিঁড়িনি। ধাওয়া দেওয়ার ঘটনায় আমি ছিলাম না।’

মাগুরার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেনে বলেন, পোস্টার লাগানো কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও শিবিরের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

মিনারুল ইসলাম জুয়েল/এসআর

 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow