ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে তিতুমীর কলেজে ছাত্রীদের বিক্ষোভ

ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিকে কেন্দ্র করে তিন ছাত্রীকে বহিষ্কারের প্রতিবাদে রাতে বিক্ষোভ করছেন রাজধানীর সরকারি তিতুমীর কলেজের ছাত্রীরা। মঙ্গলবার (৫ মে) রাত ১০টার দিকে কলেজের সুফিয়া কামাল ছাত্রীনিবাসের মূল ফটকের তালা ভেঙে বিক্ষোভে শুরু করেন ছাত্রীরা। রাত ১২টার দিকে তাদের বিক্ষোভ চলছিল। জানা যায়, গত ৩ মে সুফিয়া কামাল হলে ছাত্রদলের ১১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়। এরপর ছাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের মুখে ওই কমিটি প্রত্যাহার করা হয়। এ ঘটনার পর কলেজ প্রশাসন তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। তবে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কোনো ধরনের সুষ্ঠু তদন্ত ছাড়াই তিন শিক্ষার্থীর হলের সিট বাতিল করা হয়েছে। বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, হলের সিট বাতিলের নোটিশে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। নোটিশে তদন্ত কমিটির পর্যবেক্ষণের কথা উল্লেখ থাকলেও বাস্তবে তদন্ত কমিটি তাদের সঙ্গে কোনো কথা বলেনি। শিক্ষার্থীদের দাবি, ছাত্রী হলে কোনো ধরনের ছাত্ররাজনীতি তারা চান না। বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার এবং নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে আন্দোলন চালি

ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে তিতুমীর কলেজে ছাত্রীদের বিক্ষোভ

ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিকে কেন্দ্র করে তিন ছাত্রীকে বহিষ্কারের প্রতিবাদে রাতে বিক্ষোভ করছেন রাজধানীর সরকারি তিতুমীর কলেজের ছাত্রীরা।

মঙ্গলবার (৫ মে) রাত ১০টার দিকে কলেজের সুফিয়া কামাল ছাত্রীনিবাসের মূল ফটকের তালা ভেঙে বিক্ষোভে শুরু করেন ছাত্রীরা। রাত ১২টার দিকে তাদের বিক্ষোভ চলছিল।

জানা যায়, গত ৩ মে সুফিয়া কামাল হলে ছাত্রদলের ১১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়। এরপর ছাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের মুখে ওই কমিটি প্রত্যাহার করা হয়।

এ ঘটনার পর কলেজ প্রশাসন তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। তবে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কোনো ধরনের সুষ্ঠু তদন্ত ছাড়াই তিন শিক্ষার্থীর হলের সিট বাতিল করা হয়েছে।

বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, হলের সিট বাতিলের নোটিশে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। নোটিশে তদন্ত কমিটির পর্যবেক্ষণের কথা উল্লেখ থাকলেও বাস্তবে তদন্ত কমিটি তাদের সঙ্গে কোনো কথা বলেনি।

শিক্ষার্থীদের দাবি, ছাত্রী হলে কোনো ধরনের ছাত্ররাজনীতি তারা চান না। বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার এবং নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা। তবে বিষয়টি নিয়ে কলেজের অধ্যক্ষসহ বিভিন্ন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা কল রিসিভি করেননি।

এএএইচ/এএমএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow