ছেলেকে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা বাবা-মায়ের
ভারতে গুজরাটের রাজকোট জেলায় মদ্যপান নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে এক যুবককে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে। হত্যাকাণ্ডকের পর ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টাও করা হয়। পরে নিহতের স্ত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত বাবা-মাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (০৪ জুলাই) ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ঘটনাটি গত জুনে রাজকোট জেলার গন্ডল তালুকার গুণ্ডালা গ্রামে ঘটে। নিহত যুবকের নাম রাম বাবুভাই বাম্ভাভা। প্রথমে তার মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে জানানো হয়েছিল। তবে পরবর্তী ময়নাতদন্তে জানা যায়, এটি আত্মহত্যা নয়, বরং হত্যাকাণ্ড। স্থানীয় পুলিশ জানায়, মাত্র চার মাস আগে রামের বিয়ে হয়েছিল। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন প্রকাশের পর তার স্ত্রী বানশিবেন বাম্ভাভা শ্বশুর-শাশুড়ির বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্তে জানা গেছে, রাম দীর্ঘদিন ধরে মদ্যপানে আসক্ত ছিলেন। এ নিয়ে প্রায়ই তার বাবা-মায়ের সঙ্গে তীব্র বিরোধ হতো। ঘটনার দিনও মদ্যপান নিয়ে বাবা-মায়ের সঙ্গে রামের তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি সহিংস হয়ে ওঠে। অভিযোগ অনুযায়ী, রামের মা জোর করে তাকে অ্যাসিড পান
ভারতে গুজরাটের রাজকোট জেলায় মদ্যপান নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে এক যুবককে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে। হত্যাকাণ্ডকের পর ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টাও করা হয়। পরে নিহতের স্ত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত বাবা-মাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (০৪ জুলাই) ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ঘটনাটি গত জুনে রাজকোট জেলার গন্ডল তালুকার গুণ্ডালা গ্রামে ঘটে। নিহত যুবকের নাম রাম বাবুভাই বাম্ভাভা। প্রথমে তার মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে জানানো হয়েছিল। তবে পরবর্তী ময়নাতদন্তে জানা যায়, এটি আত্মহত্যা নয়, বরং হত্যাকাণ্ড।
স্থানীয় পুলিশ জানায়, মাত্র চার মাস আগে রামের বিয়ে হয়েছিল। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন প্রকাশের পর তার স্ত্রী বানশিবেন বাম্ভাভা শ্বশুর-শাশুড়ির বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তদন্তে জানা গেছে, রাম দীর্ঘদিন ধরে মদ্যপানে আসক্ত ছিলেন। এ নিয়ে প্রায়ই তার বাবা-মায়ের সঙ্গে তীব্র বিরোধ হতো। ঘটনার দিনও মদ্যপান নিয়ে বাবা-মায়ের সঙ্গে রামের তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি সহিংস হয়ে ওঠে। অভিযোগ অনুযায়ী, রামের মা জোর করে তাকে অ্যাসিড পান করান। এরপর তার বাবা তাকে মারধর করে শ্বাসরোধে হত্যা করেন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দিতে এবং ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখাতে রামের বাবা স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেন। তিনি কয়েকজন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত গন্ডল সিভিল হাসপাতালে সন্দেহ এড়িয়ে একটি ময়নাতদন্ত করার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন।
তবে পুলিশের বিস্তারিত তদন্ত এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে উঠে আসে, বিষক্রিয়া ও শ্বাসরোধের কারণে রামের মৃত্যু হয়েছে। এতে আত্মহত্যার দাবি ভুয়া প্রমাণিত হয়।
নিহতের স্ত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে গন্ডল পুলিশ হত্যা মামলা দায়ের করে রামের বাবা ও মাকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার আরও তদন্ত চলছে।
What's Your Reaction?