ছোট ভাইকে হত্যার ১৭ বছর পর বড় ভাইয়ের যাবজ্জীবন
পারিবারিক শত্রুতার জেরে জয়পুরহাটে ছোট ভাইকে হাতুড়ি ও রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে বড় ভাই অশোক কুমার দাসকে (৬০) যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রোববার (২ আগস্ট) দুপুর ৩টায় জয়পুরহাটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মো. তসরুজ্জামান আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত অশোক কুমার দাস পাঁচবিবি উপজেলার দমদমা গ্রামের ফণীন্দ্র দাসের ছেলে। রায় ঘোষণার পর পুলিশ প্রহরায় তাঁকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। মামলার রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের কৌসুঁলী এপিপি আহসান হাবিব চপল। মামলার বিবরণ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, সিদ্ধেশ্বর দাস (৩০) দীর্ঘদিন ধরে পাঁচবিবি-হিলি সড়কের দমদমা মোড়ে রেইনট্রি গাছের নিচে বসে কামারের কাজ করে পরিবার চালাতেন। ২০০৯ সালের ১৬ নভেম্বর বেলা আড়াইটার দিকে কাজের ফাঁকে তিনি পাশের একটি বেঞ্চে শুয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। পূর্বশত্রুতার জেরে ওই সময় বড় ভাই অশোক কুমার দাস কামারশালায় ব্যবহৃত হাতুড়ি ও লোহার রড দিয়ে ছোট ভাই সিদ্ধেশ্বরের মাথায় ও শরীরে এলোপাতাড়ি আঘাত করে গুরু
পারিবারিক শত্রুতার জেরে জয়পুরহাটে ছোট ভাইকে হাতুড়ি ও রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে বড় ভাই অশোক কুমার দাসকে (৬০) যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২ আগস্ট) দুপুর ৩টায় জয়পুরহাটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মো. তসরুজ্জামান আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।
সাজাপ্রাপ্ত অশোক কুমার দাস পাঁচবিবি উপজেলার দমদমা গ্রামের ফণীন্দ্র দাসের ছেলে। রায় ঘোষণার পর পুলিশ প্রহরায় তাঁকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের কৌসুঁলী এপিপি আহসান হাবিব চপল।
মামলার বিবরণ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, সিদ্ধেশ্বর দাস (৩০) দীর্ঘদিন ধরে পাঁচবিবি-হিলি সড়কের দমদমা মোড়ে রেইনট্রি গাছের নিচে বসে কামারের কাজ করে পরিবার চালাতেন। ২০০৯ সালের ১৬ নভেম্বর বেলা আড়াইটার দিকে কাজের ফাঁকে তিনি পাশের একটি বেঞ্চে শুয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। পূর্বশত্রুতার জেরে ওই সময় বড় ভাই অশোক কুমার দাস কামারশালায় ব্যবহৃত হাতুড়ি ও লোহার রড দিয়ে ছোট ভাই সিদ্ধেশ্বরের মাথায় ও শরীরে এলোপাতাড়ি আঘাত করে গুরুতর জখম করেন।
স্থানীয়রা আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিদ্ধেশ্বরকে উদ্ধার করে জয়পুরহাট ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ওই দিনই তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী শ্রীমতি কমলা রানী বাদী হয়ে ভাসুর অশোক কুমার দাসের বিরুদ্ধে পাঁচবিবি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত শেষে পাঁচবিবি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল আউল খান আদালতে আসামি অশোকের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ গ্রহণ শেষে বিচারক আজ এ রায় প্রদান করেন। এর মাধ্যমে দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর পর বিচার পেলেন নিহতের স্ত্রী কমলা রানী।
What's Your Reaction?