ছয় দিনে বাতিল মধ্যপ্রাচ্যগামী ২১২ ফ্লাইট, অনিশ্চয়তায় প্রবাসীরা

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বন্ধ রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশের আকাশপথ। এতে বিশ্বব্যাপী বিমান চলাচল ও ফ্লাইট শিডিউলে বিপর্যয় তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের ফ্লাইট শিডিউলেও। এমন পরিস্থিতিতে ওই অঞ্চলে কর্মরত প্রায় ৬০ লাখ বাংলাদেশি প্রবাসী চরম নিরাপত্তা ঝুঁকি, কর্মসংস্থান হারানো এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ কমে যাওয়ার আতঙ্কে রয়েছেন। ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় অনেকেই দুবাইসহ বিভিন্ন স্থানে আটকা পড়েছেন। দূতাবাসগুলো নিরাপত্তা নির্দেশনা দিচ্ছে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ইরানে ইসরায়েলে হামলার মাধ্যমে এ যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বাংলাদেশে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) পর্যন্ত বাতিল হয়েছে ২১২ ফ্লাইট।    বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মদ কাউছার মাহমুদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আকাশপথ বন্ধের কারণে ঢাকা থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি ফ্লাইট, ২ মার্চ ৪৬টি, ৩ মার্চ ৩৯টি এবং ৪ মার্চ ২৮টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। সর্বশেষ আজ বাতিল হয়েছে আরও ৩৬ ফ্লাইট। বৃহস্পতিবার

ছয় দিনে বাতিল মধ্যপ্রাচ্যগামী ২১২ ফ্লাইট, অনিশ্চয়তায় প্রবাসীরা

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বন্ধ রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশের আকাশপথ। এতে বিশ্বব্যাপী বিমান চলাচল ও ফ্লাইট শিডিউলে বিপর্যয় তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের ফ্লাইট শিডিউলেও।

এমন পরিস্থিতিতে ওই অঞ্চলে কর্মরত প্রায় ৬০ লাখ বাংলাদেশি প্রবাসী চরম নিরাপত্তা ঝুঁকি, কর্মসংস্থান হারানো এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ কমে যাওয়ার আতঙ্কে রয়েছেন। ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় অনেকেই দুবাইসহ বিভিন্ন স্থানে আটকা পড়েছেন। দূতাবাসগুলো নিরাপত্তা নির্দেশনা দিচ্ছে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ইরানে ইসরায়েলে হামলার মাধ্যমে এ যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বাংলাদেশে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) পর্যন্ত বাতিল হয়েছে ২১২ ফ্লাইট।   

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মদ কাউছার মাহমুদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আকাশপথ বন্ধের কারণে ঢাকা থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি ফ্লাইট, ২ মার্চ ৪৬টি, ৩ মার্চ ৩৯টি এবং ৪ মার্চ ২৮টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। সর্বশেষ আজ বাতিল হয়েছে আরও ৩৬ ফ্লাইট।

বৃহস্পতিবার বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে কাতার এয়ারওয়েজের ৪টি, কুয়েত এয়ারওয়েজের ৪টি, জাজিরা এয়ারওয়েজ (কুয়েত) ৪টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার (শারজাহ, সংযুক্ত আরব আমিরাত) ১০টি, এমিরেটসের ৪টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ২টি, গালফ এয়ারের (বাহরাইন) ২টি ও ফ্লাইট দুবাইয়ের (দুবাই) ৪টি।

এদিকে, ৫ মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই, আবুধাবি ও শারজা, সৌদি আরবের দাম্মাম, কাতারের দোহা এবং কুয়েতের সব ফ্লাইট বাতিল ঘোষণা করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।

ফ্লাইট বাতিল ও শিডিউল বিপর্যয়ে অনিশ্চয়তা ও ভোগান্তিতে পড়েছেন মধ্যপ্রাচ্যগামী ও সেখানে অবস্থানরত প্রবাসীরা। অনেকেই বলছেন, তাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে।  

কারও কারও মতে, যুদ্ধ বেশিদিন স্থায়ী হলে বন্ধ হয়ে যেতে পারে তাদের কর্মসংস্থান। এতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে রেমিট্যান্স প্রবাহে।

তবে সরকার আটকে পড়া শ্রমিকদের ভোগান্তি কমাতে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলছে। আক্রান্ত দেশগুলোতে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তার বিষয়ে নানা নির্দেশনা দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow