জবই বিল রক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান
রাজশাহীতে জবই বিল ও পার্শ্ববর্তী এলাকার বিলসমূহে মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় কর্মশালায় জলাশয় রক্ষা ও টেকসই মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জিয়া হায়দার চৌধুরী। শনিবার (৯ মে) নগরীর শাহ্ ডাইন কনভেনশন হলে আয়োজিত এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্টানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জিয়া হায়দার চৌধুরী বলেন, দেশের বিল ও জলাভূমিগুলো শুধু মাছের উৎস নয়, এগুলো জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জবই বিল ও আশপাশের বিলগুলোকে রক্ষা করতে হলে স্থানীয় জনগণ, জেলে সম্প্রদায় এবং প্রশাসনের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, অবৈধ জাল ব্যবহার, অপরিকল্পিত মাছ শিকার ও জলাশয় দখলের কারণে প্রাকৃতিক মৎস্যসম্পদ হুমকির মুখে পড়ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সচেতনতা বৃদ্ধি এবং টেকসই ব্যবস্থাপনার বিকল্প নেই। সরকার মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ ও জেলেদের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। মৎস্য অধিদপ্তরের রাজশাহী বিভাগের পরিচালক সাইফুদ্দিন ইয়াহিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মৎস্য পরিকল্পনা ও জরিপ শাখার প্রধান বৈজ্
রাজশাহীতে জবই বিল ও পার্শ্ববর্তী এলাকার বিলসমূহে মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় কর্মশালায় জলাশয় রক্ষা ও টেকসই মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জিয়া হায়দার চৌধুরী।
শনিবার (৯ মে) নগরীর শাহ্ ডাইন কনভেনশন হলে আয়োজিত এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্টানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জিয়া হায়দার চৌধুরী বলেন, দেশের বিল ও জলাভূমিগুলো শুধু মাছের উৎস নয়, এগুলো জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জবই বিল ও আশপাশের বিলগুলোকে রক্ষা করতে হলে স্থানীয় জনগণ, জেলে সম্প্রদায় এবং প্রশাসনের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, অবৈধ জাল ব্যবহার, অপরিকল্পিত মাছ শিকার ও জলাশয় দখলের কারণে প্রাকৃতিক মৎস্যসম্পদ হুমকির মুখে পড়ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সচেতনতা বৃদ্ধি এবং টেকসই ব্যবস্থাপনার বিকল্প নেই। সরকার মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ ও জেলেদের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
মৎস্য অধিদপ্তরের রাজশাহী বিভাগের পরিচালক সাইফুদ্দিন ইয়াহিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মৎস্য পরিকল্পনা ও জরিপ শাখার প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সাহেদ আলী এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মৎস্য পরিকল্পনা-৩ শাখার উপসচিব সুজয় চৌধুরী।
বক্তারা বলেন, জবই বিলসহ পার্শ্ববর্তী বিলগুলোতে টেকসই মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে স্থানীয় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং জেলেদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন সম্ভব হবে। এ সময় মাছের প্রজনন ক্ষেত্র সংরক্ষণ, অবৈধ জাল ব্যবহার বন্ধ এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও স্থানীয় অংশীজনেরা উপস্থিত ছিলেন। জবই বিল ও পার্শ্ববর্তী এলাকার বিলসমূহে মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকের কার্যালয় এবং মৎস্য অধিদপ্তর, রাজশাহী বিভাগ যৌথভাবে কর্মশালাটির আয়োজন করে।
What's Your Reaction?