জবিতে অধ্যাপক জহিরুল ইসলামের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া

  জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. জহিরুল ইসলামের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা- কর্মচারী, শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। দোয়া মাহফিলে বিভাগের সহকর্মী আব্দুল মান্নান বলেন, ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে আমরা একই দিনে একই বিভাগে যোগদান করি। এমনকি দীর্ঘদিন একই কক্ষে বসে কাজ করেছি। তার সঙ্গে জীবনের অনেক সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করেছি। জহির ছিলেন সত্যবাদী এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক বেলাল হোসেইন বলেন, প্রত্যেক মানুষকেই একদিন মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। প্রয়াত জহিরুল ইসলামের পরিবারের ভরণপোষণের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। জহিরুল ইসলামের বড় ভাই বলেন, আমাদের বাবা মারা যান যখন জহিরের বয়স ছিল মাত্র ছয়। আজ জহিরের ছেলের বয়সও ছয়। আমরা আট ভাইবোন, জহির ছিল সবার ছ

জবিতে অধ্যাপক জহিরুল ইসলামের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া

 

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. জহিরুল ইসলামের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (২৯ মার্চ) বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা- কর্মচারী, শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

দোয়া মাহফিলে বিভাগের সহকর্মী আব্দুল মান্নান বলেন, ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে আমরা একই দিনে একই বিভাগে যোগদান করি। এমনকি দীর্ঘদিন একই কক্ষে বসে কাজ করেছি। তার সঙ্গে জীবনের অনেক সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করেছি। জহির ছিলেন সত্যবাদী এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।

ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক বেলাল হোসেইন বলেন, প্রত্যেক মানুষকেই একদিন মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। প্রয়াত জহিরুল ইসলামের পরিবারের ভরণপোষণের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

জহিরুল ইসলামের বড় ভাই বলেন, আমাদের বাবা মারা যান যখন জহিরের বয়স ছিল মাত্র ছয়। আজ জহিরের ছেলের বয়সও ছয়। আমরা আট ভাইবোন, জহির ছিল সবার ছোট ও আদরের। আমরা এখমো যৌথ পরিবারে বাস করি যা এখনকার সময়ে বিরল। এখন জহিরের তিন সন্তান রয়েছে। তারা যেন তাদের বাবার মতো সৎ ও ভালো মানুষ হতে পারে সবার কাছে দোয়ার দরখাস্ত ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দিন বলেন, “আজ আমাদের প্রথম কর্মদিবসেই জহিরের জন্য দোয়ার আয়োজন করেছি। আসলে, তিনি ছিলেন অত্যন্ত মিষ্টভাষী ও বিনয়ী মানুষ। প্রতিবার দেখা হলে জহির হাসিমুখে কথা বলতেন। তার জীবন থেকে আমরা শিখেছি যে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কাজ করতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমরা জহিরের পরিবারের পাশে থাকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।

দীর্ঘদিন দুরারোগ্য ব্রেইন টিউমারের সঙ্গে লড়াই করে গত মঙ্গলবার( ২৪ মার্চ) ইন্তেকাল করেছেন।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. গিয়াস উদ্দিন, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনজুরুল ইসলাম, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, ছাত্রসংগঠনের নেতারাসহ শিক্ষার্থীরা  উপস্থিত ছিলেন।

টিএইচকিউ/জেএইচ 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow