জবিতে কেন্দ্রীয় মন্দির স্থাপনের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) কেন্দ্রীয় মন্দির স্থাপনের দাবিতে সনাতনী শিক্ষার্থীরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে এ কর্মসূচি শুরু হয়। এ সময় তারা ‘এক, দুই, তিন, চার মন্দির আমার অধিকার’, ‘প্রশাসন লজ্জা লজ্জা’ এবং ‘মন্দির আমার অধিকার রুখে দেবে সাধ্য কার’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। শ্রীচৈতন্য শিক্ষা ও সংস্কৃতি সংঘের সাধারণ সম্পাদক অজয় পাল বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ২ হাজার ৭০০ সনাতনী শিক্ষার্থী থাকলেও এখনো কোনো কেন্দ্রীয় মন্দির নেই। এ দাবিতে আমরা বারবার স্মারকলিপি দিয়েছি। তিনি আরও বলেন, স্মারকলিপি দেওয়ার পর যখন উপাচার্য স্যার স্থাপনা নির্মাণের জন্য জায়গা নেই বলে জানান পরে আমরা মুক্তমঞ্চের পাশে জায়গা দেখিয়ে দেওয়ার পর সেখানে পাবলিক টয়লেট স্থাপন করা হচ্ছে। প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে আমরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করছি। ছাত্র ঐক্য পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি প্রিয়ন্ত স্বর্ণকার বলেন, কেন্দ্রীয় মন্দির স্থাপনের দাবিতে আমরা প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছিলাম। কিন্তু আমাদের অবহিত না করেই সেখানে পাবলিক টয়লেট স্থাপনের উদ্

জবিতে কেন্দ্রীয় মন্দির স্থাপনের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) কেন্দ্রীয় মন্দির স্থাপনের দাবিতে সনাতনী শিক্ষার্থীরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে এ কর্মসূচি শুরু হয়।

এ সময় তারা ‘এক, দুই, তিন, চার মন্দির আমার অধিকার’, ‘প্রশাসন লজ্জা লজ্জা’ এবং ‘মন্দির আমার অধিকার রুখে দেবে সাধ্য কার’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

শ্রীচৈতন্য শিক্ষা ও সংস্কৃতি সংঘের সাধারণ সম্পাদক অজয় পাল বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ২ হাজার ৭০০ সনাতনী শিক্ষার্থী থাকলেও এখনো কোনো কেন্দ্রীয় মন্দির নেই। এ দাবিতে আমরা বারবার স্মারকলিপি দিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, স্মারকলিপি দেওয়ার পর যখন উপাচার্য স্যার স্থাপনা নির্মাণের জন্য জায়গা নেই বলে জানান পরে আমরা মুক্তমঞ্চের পাশে জায়গা দেখিয়ে দেওয়ার পর সেখানে পাবলিক টয়লেট স্থাপন করা হচ্ছে। প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে আমরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করছি।

ছাত্র ঐক্য পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি প্রিয়ন্ত স্বর্ণকার বলেন, কেন্দ্রীয় মন্দির স্থাপনের দাবিতে আমরা প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছিলাম। কিন্তু আমাদের অবহিত না করেই সেখানে পাবলিক টয়লেট স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা ধর্মীয় অবমাননার শামিল। এ কারণেই আমরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করছি।

জবি সনাতন বিদ্যার্থী সংসদের সভাপতি সুমন কুমার দাস বলেন, আমরা আজ ভিত্তিপূজা সম্পন্ন করব এবং একই দিন কেন্দ্রীয়ভাবে মন্দির স্থাপন করা হবে। এ সময় সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

টিএইচকিউ/এমআরএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow