জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের মারধরে বৃদ্ধের মৃত্যু

ঝিনাইদহের শৈলকূপায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের মারধরে কেসমত আলী (৬০) নামে একজন মারা গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা পলাতক। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার জয়ন্তীনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। কেসমত আলী ওই গ্রামের সিরাজ সরদারের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, জয়ন্তীনগর গ্রামের কৃষক কেসমত আলীর সঙ্গে কয়েকবছর ধরে তার ছোট বোনজামাই নবিছদ্দিনের বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে বৃহস্পতিবার সকালে নবিছদ্দিন ও কেসমত আলী ফের বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে নবিছদ্দিন ও তার পরিবারের লোকজন কেসমত আলীকে একা পেয়ে মারধর করে। এসময় এলোপাথাড়ি মারধরে গুরুতর আহত হন কেসমত আলী। সেখান থেকে আহতাবস্থায় কেসমত আলীকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত নবিছদ্দিন ও তার পরিবারের লোকজন পলাতক রয়েছে। শৈলকূপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির মোল্লা বলেন, একজন মারা গেছেন বলে শুনেছি। কেউ এখনো থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের পরে নিশ্চিত করা যাবে। এম শাহজাহ

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের মারধরে বৃদ্ধের মৃত্যু

ঝিনাইদহের শৈলকূপায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের মারধরে কেসমত আলী (৬০) নামে একজন মারা গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা পলাতক।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার জয়ন্তীনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। কেসমত আলী ওই গ্রামের সিরাজ সরদারের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, জয়ন্তীনগর গ্রামের কৃষক কেসমত আলীর সঙ্গে কয়েকবছর ধরে তার ছোট বোনজামাই নবিছদ্দিনের বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে বৃহস্পতিবার সকালে নবিছদ্দিন ও কেসমত আলী ফের বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে নবিছদ্দিন ও তার পরিবারের লোকজন কেসমত আলীকে একা পেয়ে মারধর করে। এসময় এলোপাথাড়ি মারধরে গুরুতর আহত হন কেসমত আলী। সেখান থেকে আহতাবস্থায় কেসমত আলীকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত নবিছদ্দিন ও তার পরিবারের লোকজন পলাতক রয়েছে।

শৈলকূপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির মোল্লা বলেন, একজন মারা গেছেন বলে শুনেছি। কেউ এখনো থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের পরে নিশ্চিত করা যাবে।

এম শাহজাহান/আরএইচ/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow