জমির উদ্দিনের মৃত্যুতে রাষ্ট্রদূত মুশফিকের আবেগঘন স্ট্যাটাস

সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে তিনি মরহুমের সঙ্গে নিজের ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ করে বলেন, দেশ একজন প্রজ্ঞাবান রাষ্ট্রনায়ককে হারিয়েছে। স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘মহান প্রভুর ডাকে সাড়া দিলেন ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। বাংলাদেশের আইনাঙ্গন, সংসদীয় গণতন্ত্র ও রাজনীতির ইতিহাসে তিনি ছিলেন এক কিংবদন্তিতুল্য ব্যক্তিত্ব। প্রখ্যাত আইনজ্ঞ, জাতীয় সংসদের স্পিকার এবং দেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার অবদান জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।’ তিনি আরও লিখেন, ‘আমার ব্যক্তিগত জীবনেও তিনি রেখে গেছেন অম্লান স্মৃতি। ২০ বছর আগে জাতীয় সংসদের স্পিকার থাকাকালে আন্তরিকতার সঙ্গে আমাদের বৌভাত অনুষ্ঠান আয়োজনে এলডি হল বরাদ্দ করেছিলেন এবং সেদিন সংসদের অধিবেশন সংক্ষিপ্ত করে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে আমাদের দোয়া দিতে এসেছিলেন। সর্বশেষ আন্তর্জাতিক সাংবাদিকতা নিয়ে আমার পথচলায়ও তিনি

জমির উদ্দিনের মৃত্যুতে রাষ্ট্রদূত মুশফিকের আবেগঘন স্ট্যাটাস
সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে তিনি মরহুমের সঙ্গে নিজের ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ করে বলেন, দেশ একজন প্রজ্ঞাবান রাষ্ট্রনায়ককে হারিয়েছে। স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘মহান প্রভুর ডাকে সাড়া দিলেন ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। বাংলাদেশের আইনাঙ্গন, সংসদীয় গণতন্ত্র ও রাজনীতির ইতিহাসে তিনি ছিলেন এক কিংবদন্তিতুল্য ব্যক্তিত্ব। প্রখ্যাত আইনজ্ঞ, জাতীয় সংসদের স্পিকার এবং দেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার অবদান জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।’ তিনি আরও লিখেন, ‘আমার ব্যক্তিগত জীবনেও তিনি রেখে গেছেন অম্লান স্মৃতি। ২০ বছর আগে জাতীয় সংসদের স্পিকার থাকাকালে আন্তরিকতার সঙ্গে আমাদের বৌভাত অনুষ্ঠান আয়োজনে এলডি হল বরাদ্দ করেছিলেন এবং সেদিন সংসদের অধিবেশন সংক্ষিপ্ত করে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে আমাদের দোয়া দিতে এসেছিলেন। সর্বশেষ আন্তর্জাতিক সাংবাদিকতা নিয়ে আমার পথচলায়ও তিনি  উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দিয়েছেন।’ তিনি আরও স্মরণ করেন, ‘২০২৪ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির আমন্ত্রণে কোর্ট প্রাঙ্গণে গিয়ে ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের সঙ্গে তার শেষ সাক্ষাৎ হয়েছিল। ছবি তোলার ইচ্ছা প্রকাশ করলে ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আইনজীবী সমিতির তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাহফুজ মিলনকে ডেকে বলেন, ‘তার সঙ্গে আমারও একটি ছবি তুলে দাও।’  রাষ্ট্রদূত মুশফিকের ভাষায়, সেই মুহূর্তটি তার জীবনের এক অসাধারণ সম্মান, যা চিরকাল স্মৃতিতে অমলিন হয়ে থাকবে। স্ট্যাটাসের শেষাংশে তিনি বলেন, ‘একজন প্রজ্ঞাবান, সজ্জন ও রাষ্ট্রনায়কোচিত মানুষের বিদায়ে দেশ হারাল এক উজ্জ্বল অভিভাবক। ব্যক্তিগতভাবে আমি হারালাম একজন আন্তরিক শুভাকাঙ্ক্ষী। মহান আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন। আমিন।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow