জর্ডানের আল-আজরাক মার্কিন বিমানঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে আইআরজিসি

জর্ডানের আল-আজরাক অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন বিমানঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। এই হামলার মাধ্যমে মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের হ্যাঙ্গার (আশ্রয়কেন্দ্র) এবং একটি কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টারসহ চারটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে। বুধবার (১০ জুন) এই হামলা চালানো হয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে মেহের নিউজ এজেন্সি। আইআরজিসির জনসংযোগ বিভাগ জানায়, তাদের অ্যারোস্পেস ফোর্সের যোদ্ধারা দীর্ঘপাল্লার কঠিন জ্বালানিচালিত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এতে ঘাঁটির চারটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে। এর মধ্যে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান রাখা হ্যাঙ্গার এবং শিশুহত্যাকারী মার্কিন সেনাবাহিনীর একটি কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টারও ছিল। বিবৃতিতে কোরআনের একটি আয়াত উদ্ধৃত করে বলা হয়, এই অভিযান ছিল পারস্পরিক প্রতিশোধমূলক জবাবের অংশ। এর আগে আইআরজিসি-এর নৌবাহিনী মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে থাকা মার্কিন বিমান ও নৌঘাঁটির ২১টি লক্ষ্যবস্তুতে সফল হামলা চালায় এবং জাম শহরের ওপর একটি এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করে। এসব অভিযানের ধারাবাহিকতায় প্রতিশোধমূলক অভিযান সম্পন্ন করার লক্ষ্যেই এই হামল

জর্ডানের আল-আজরাক মার্কিন বিমানঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে আইআরজিসি

জর্ডানের আল-আজরাক অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন বিমানঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। এই হামলার মাধ্যমে মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের হ্যাঙ্গার (আশ্রয়কেন্দ্র) এবং একটি কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টারসহ চারটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে। বুধবার (১০ জুন) এই হামলা চালানো হয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে মেহের নিউজ এজেন্সি।

আইআরজিসির জনসংযোগ বিভাগ জানায়, তাদের অ্যারোস্পেস ফোর্সের যোদ্ধারা দীর্ঘপাল্লার কঠিন জ্বালানিচালিত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এতে ঘাঁটির চারটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে। এর মধ্যে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান রাখা হ্যাঙ্গার এবং শিশুহত্যাকারী মার্কিন সেনাবাহিনীর একটি কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টারও ছিল।

বিবৃতিতে কোরআনের একটি আয়াত উদ্ধৃত করে বলা হয়, এই অভিযান ছিল পারস্পরিক প্রতিশোধমূলক জবাবের অংশ। এর আগে আইআরজিসি-এর নৌবাহিনী মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে থাকা মার্কিন বিমান ও নৌঘাঁটির ২১টি লক্ষ্যবস্তুতে সফল হামলা চালায় এবং জাম শহরের ওপর একটি এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করে। এসব অভিযানের ধারাবাহিকতায় প্রতিশোধমূলক অভিযান সম্পন্ন করার লক্ষ্যেই এই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আমাদের বাহিনী যেকোনো নতুন আগ্রাসনের জবাবে কঠোর ও চূড়ান্ত প্রতিক্রিয়া জানাতে প্রস্তুত। ভবিষ্যতে কোনো আগ্রাসন হলে তার পরিণতির দায়ভার মার্কিন শত্রুর ওপরই বর্তাবে।

ইরানের দাবি অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত সংঘাতে মোট ৩ হাজার ৩৭৫ জন নিহত হন, যার মধ্যে ২ হাজার ৮৭৫ জন পুরুষ এবং ৪৯৬ জন নারী। এছাড়া জরুরি চিকিৎসা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এই যুদ্ধে ১১৮ জন চিকিৎসাকর্মী আহত হন এবং ২৬ জন নিহত হন।

কেএম 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow