জলদস্যুর হামলায় তেলবাহী জাহাজসহ জিম্মি ১১ নাবিক
সোমালিয়ার উপকূলের কাছে ১১ জন পাকিস্তানি নাবিকসহ একটি তেলবাহী জাহাজ জলদস্যুদের কবলে পড়েছে। জিও নিউজ এক প্রতিবেদনে, দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনাল–এর বরাতে এ তথ্য জানায়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘অনার ২৫’ নামের জাহাজটি গত মঙ্গলবার জলদস্যুদের হামলার শিকার হয় এবং পরে সেটি দখল করে নেওয়া হয়। পাকিস্তানের মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নাবিকদের নিরাপদ উদ্ধারে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় ফেডারেল মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রী জুনাইদ আনোয়ার চৌধুরী বিস্তারিত প্রতিবেদন চেয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে উদ্ধার তৎপরতা জোরদার ও সমন্বিত করার নির্দেশ দিয়েছেন। মন্ত্রণালয় জানায়, তারা সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। এছাড়া দ্রুত কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করা হয়েছে। জাহাজে থাকা পাকিস্তানি নাগরিকদের মুক্তির লক্ষ্যে সোমালিয়া সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে। এর আগে ২০২৪ সালে একই ধরনের ঘটনায় সোমালিয়ার উপকূলে বাংলাদেশি পতাকাবাহী একটি কার্গো জাহাজ ও এর ২৩ জন নাবিককে অপহরণ করেছিল জলদস্যুরা। পরে বিপুল পরিমাণ মার্কিন
সোমালিয়ার উপকূলের কাছে ১১ জন পাকিস্তানি নাবিকসহ একটি তেলবাহী জাহাজ জলদস্যুদের কবলে পড়েছে।
জিও নিউজ এক প্রতিবেদনে, দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনাল–এর বরাতে এ তথ্য জানায়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘অনার ২৫’ নামের জাহাজটি গত মঙ্গলবার জলদস্যুদের হামলার শিকার হয় এবং পরে সেটি দখল করে নেওয়া হয়।
পাকিস্তানের মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নাবিকদের নিরাপদ উদ্ধারে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় ফেডারেল মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রী জুনাইদ আনোয়ার চৌধুরী বিস্তারিত প্রতিবেদন চেয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে উদ্ধার তৎপরতা জোরদার ও সমন্বিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।
মন্ত্রণালয় জানায়, তারা সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
এছাড়া দ্রুত কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করা হয়েছে। জাহাজে থাকা পাকিস্তানি নাগরিকদের মুক্তির লক্ষ্যে সোমালিয়া সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে।
এর আগে ২০২৪ সালে একই ধরনের ঘটনায় সোমালিয়ার উপকূলে বাংলাদেশি পতাকাবাহী একটি কার্গো জাহাজ ও এর ২৩ জন নাবিককে অপহরণ করেছিল জলদস্যুরা। পরে বিপুল পরিমাণ মার্কিন ডলার মুক্তিপণ হিসেবে আকাশপথে ফেলে দেওয়ার পর জাহাজটি ও নাবিকদের মুক্তি দেওয়া হয়।
এর পর থেকে ভারত মহাসাগর অঞ্চলে জলদস্যুতা আবার বাড়ছে বলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বাহিনীর পুনর্বিন্যাসের ফলে তৈরি হওয়া নিরাপত্তা ঘাটতির সুযোগ নিচ্ছে জলদস্যুরা।
What's Your Reaction?