জলবায়ু ও পরিবেশ সুরক্ষায় এডিবির সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান মন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়নে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। সোমবার (১০ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রীর অফিসকক্ষে এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্ট (দক্ষিণ, মধ্য ও পশ্চিম এশিয়া) ইংমিং ইয়াংয়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ আহ্বান জানান তিনি। সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও এডিবির দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগিতা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং পরিবেশবান্ধব ও টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় জলবায়ু অভিযোজন ও প্রশমন, জলবায়ু অর্থায়ন বৃদ্ধি, বন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, বায়ু ও প্লাস্টিকদূষণ নিয়ন্ত্রণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং পরিবেশসম্মত নগর ও অবকাঠামো উন্নয়নের বিষয় গুরুত্ব পায়। মন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য বাংলাদেশ দায়ী না হলেও এর বিরূপ প্রভাবে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর অন্যতম। দেশের মানুষের জীবন, জীবিকা ও প্রাকৃতিক সম্পদ সুরক্ষায় সরকার অভিযোজন ও প্রশমন উভয় ধরনের কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এসব কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়

জলবায়ু ও পরিবেশ সুরক্ষায় এডিবির সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান মন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়নে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।

সোমবার (১০ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রীর অফিসকক্ষে এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্ট (দক্ষিণ, মধ্য ও পশ্চিম এশিয়া) ইংমিং ইয়াংয়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ আহ্বান জানান তিনি।

সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও এডিবির দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগিতা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং পরিবেশবান্ধব ও টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

এ সময় জলবায়ু অভিযোজন ও প্রশমন, জলবায়ু অর্থায়ন বৃদ্ধি, বন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, বায়ু ও প্লাস্টিকদূষণ নিয়ন্ত্রণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং পরিবেশসম্মত নগর ও অবকাঠামো উন্নয়নের বিষয় গুরুত্ব পায়।

মন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য বাংলাদেশ দায়ী না হলেও এর বিরূপ প্রভাবে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর অন্যতম। দেশের মানুষের জীবন, জীবিকা ও প্রাকৃতিক সম্পদ সুরক্ষায় সরকার অভিযোজন ও প্রশমন উভয় ধরনের কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

এসব কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নে উন্নয়ন সহযোগীদের পর্যাপ্ত, সহজলভ্য ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন প্রয়োজন জানিয়ে তিনি বলেন, এজন্য নিজেদের অগ্রাধিকারগুলো আগে নির্ধারণ করতে হবে। 

পরিবেশ সংরক্ষণ, দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং জলবায়ুসহিষ্ণু উন্নয়নে এডিবির সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের আহ্বান জানান তিনি।

এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্ট ইংমিং ইয়াং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশের গৃহীত উদ্যোগের প্রশংসা করেন। পরিবেশ সুরক্ষা, জলবায়ুসহিষ্ণু অবকাঠামো, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ও টেকসই উন্নয়নে বাংলাদেশের সঙ্গে এডিবির অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।

সাক্ষাতে চলমান সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো পর্যালোচনার পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নতুন প্রকল্প ও কর্মসূচি গ্রহণের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। ভবিষ্যতে নিয়মিত যোগাযোগ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও এডিবির উন্নয়ন সহযোগিতা আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে।

এ সময় মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ ও এডিবির সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরএমএম/এমএএইচ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow