জাজিরা প্রান্তে ‘পদ্মা সেতু জাদুঘরের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ পদ্মা সেতু সাইট অফিসে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেছে। একইসঙ্গে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে ‘পদ্মা সেতু জাদুঘর’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
সোমবার (১১ মে) অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও জাদুঘরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান এমপি এবং শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ এমপি। সভাপতিত্ব করেন সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ।
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীর সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনকারী ৬.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতু দেশের অর্থনীতি ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। কর্মসূচির আওতায় আগামী পাঁচ বছরে সেতুর দুই প্রান্তে ফলজ, বনজ ও ঔষধি মিলিয়ে এক লাখ গাছ রোপণ করা হবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু জাদুঘর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে দ
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ পদ্মা সেতু সাইট অফিসে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেছে। একইসঙ্গে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে ‘পদ্মা সেতু জাদুঘর’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
সোমবার (১১ মে) অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও জাদুঘরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান এমপি এবং শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ এমপি। সভাপতিত্ব করেন সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ।
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীর সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনকারী ৬.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতু দেশের অর্থনীতি ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। কর্মসূচির আওতায় আগামী পাঁচ বছরে সেতুর দুই প্রান্তে ফলজ, বনজ ও ঔষধি মিলিয়ে এক লাখ গাছ রোপণ করা হবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু জাদুঘর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে দেশের আত্মমর্যাদা, সংগ্রাম ও প্রকৌশল দক্ষতার ইতিহাস তুলে ধরবে। পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সেতু এলাকাকে পরিবেশবান্ধব সবুজ বলয়ে রূপ দেবে।
সেতু সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর শ্লোগান ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ সবার আগে বাংলাদেশ’। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে আমাদের সাইট অফিসের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য যেমন বৃদ্ধি পাবে সেইসঙ্গে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হবে এবং অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে এই জাদুঘর স্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, শরীয়তপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সরদার একেএম নাসির উদ্দীন, শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক মিজ তাহসিনা বেগম, সেতু বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্টমিডিয়ার প্রতিনিধি এবং সাইট অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।