জাতিসংঘের সমুদ্র আইন মানতে বাধ্য নয় ইরান : ইরাভানি

জাতিসংঘে ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি আমির সাঈদ ইরাভানি বলেছেন, ইরান জাতিসংঘের সমুদ্র আইন মানতে বাধ্য নয়।  মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সামুদ্রিক পদক্ষেপের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন ইরাভানি।    তিনি বলেন, একটি অত্যন্ত অস্থিতিশীল পরিবেশে উপকূলীয় নিরাপত্তা ও নৌ চলাচলের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।   তিনি আরও অভিযোগ করেন, কিছু আন্তর্জাতিক পক্ষ যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত অবরোধ উপেক্ষা করে দ্বিমুখী আচরণ করেছে।  তার ভাষায়, সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিয়ে তাদের উদ্বেগ সত্যি নয়। তাদের কার্যক্রম ও অবস্থান সামঞ্জস্যপূর্ণও নয়। এর আগে গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ওয়াশিংটন আপাতত তেহরানের ওপর চলমান চাপ বজায় রাখবে এবং ইরানের কাছ থেকে ‘পরবর্তী আলোচনার প্রস্তাবের’ জন্য অপেক্ষা করবে। ট্রাম্প নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা উল্লেখ না করলেও তার সামনে আইনি সীমা রয়েছে। এটি মার্কিন কংগ্রেস-সম্পর্কিত অভ্যন্তরীণ সময়সীমা। যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধক্ষমতা সংক্রান্ত রেজুলেশন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্টের ১ মের মধ্যে কংগ্রেসের অনু

জাতিসংঘের সমুদ্র আইন মানতে বাধ্য নয় ইরান : ইরাভানি

জাতিসংঘে ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি আমির সাঈদ ইরাভানি বলেছেন, ইরান জাতিসংঘের সমুদ্র আইন মানতে বাধ্য নয়। 

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সামুদ্রিক পদক্ষেপের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন ইরাভানি।   

তিনি বলেন, একটি অত্যন্ত অস্থিতিশীল পরিবেশে উপকূলীয় নিরাপত্তা ও নৌ চলাচলের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।  

তিনি আরও অভিযোগ করেন, কিছু আন্তর্জাতিক পক্ষ যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত অবরোধ উপেক্ষা করে দ্বিমুখী আচরণ করেছে। 

তার ভাষায়, সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিয়ে তাদের উদ্বেগ সত্যি নয়। তাদের কার্যক্রম ও অবস্থান সামঞ্জস্যপূর্ণও নয়।

এর আগে গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ওয়াশিংটন আপাতত তেহরানের ওপর চলমান চাপ বজায় রাখবে এবং ইরানের কাছ থেকে ‘পরবর্তী আলোচনার প্রস্তাবের’ জন্য অপেক্ষা করবে।

ট্রাম্প নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা উল্লেখ না করলেও তার সামনে আইনি সীমা রয়েছে। এটি মার্কিন কংগ্রেস-সম্পর্কিত অভ্যন্তরীণ সময়সীমা। যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধক্ষমতা সংক্রান্ত রেজুলেশন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্টের ১ মের মধ্যে কংগ্রেসের অনুমোদন নেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এই আইন অনুযায়ী, কোনো চলমান সামরিক অভিযানে ৬০ দিনের বেশি সময় সেনা মোতায়েন রাখতে হলে কংগ্রেসের বিশেষ অনুমোদন প্রয়োজন। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow