জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারের জন্য আর আবেদন করতে হবে না

খেলাধুলায় বিশেষ অবদানের জন্য সরকার ক্রীড়া ব্যক্তিত্বদের দিয়ে আসছে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার। এই পুরস্কারের জন্য ক্রীড়াবিদ বা ক্রীড়া সংগঠকদের করতে হয় আবেদন। তারপর একাধিক কমিটির মাধ্যমে আবেদনকারীদের তালিকা যাচাই-বাছাই করে পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়। তবে সরকার আগামীতে আবেদনের প্রথা রাখছে না। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক মনে করেন, যে পুরস্কারের যোগ্য তার পক্ষে আবেদন করা একটা বিব্রতকর বিষয়। তাই সরকারই প্রকৃতি যোগ্যদের চিহ্নিত করে পুরস্কার দেবে। এ বিষয়ে সাবেক এই তারকা ফুটবলার বলেছেন, ‘যে এই পুরস্কার প্রাপ্য, তাকে যদি আবেদন করতে হয়; সেটাকে আমার কাছে মনে হয় একটা বিব্রত বিষয়। আমরা এই নিয়ম পরিবর্তন করবো। এরই মধ্যে আমি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছি। ক্রীড়া পুরস্কারে বর্তমানে যে নীতিমালা আছে সেখানে পরিবর্তন এনে আমরা যদি একটি কমিটি করে দিই, তাহলে ভালো হবে। আমরা সর্বজনস্বীকৃত একটি জাতীয় কমিটি করে দিলে ওই কমিটি প্রতিবছর দেখবে কারা সবচেয়ে যোগ্য এই পুরস্কারের জন্য। যোগ্য মানুষগুলোকে বাছাই করে আমরা সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে চাই।’ যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আরো বলেছেন, ‘যিনি ক্রীড়াবিদ; ধরুন আমিও যদ

জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারের জন্য আর আবেদন করতে হবে না

খেলাধুলায় বিশেষ অবদানের জন্য সরকার ক্রীড়া ব্যক্তিত্বদের দিয়ে আসছে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার। এই পুরস্কারের জন্য ক্রীড়াবিদ বা ক্রীড়া সংগঠকদের করতে হয় আবেদন। তারপর একাধিক কমিটির মাধ্যমে আবেদনকারীদের তালিকা যাচাই-বাছাই করে পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়।

তবে সরকার আগামীতে আবেদনের প্রথা রাখছে না। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক মনে করেন, যে পুরস্কারের যোগ্য তার পক্ষে আবেদন করা একটা বিব্রতকর বিষয়। তাই সরকারই প্রকৃতি যোগ্যদের চিহ্নিত করে পুরস্কার দেবে।

এ বিষয়ে সাবেক এই তারকা ফুটবলার বলেছেন, ‘যে এই পুরস্কার প্রাপ্য, তাকে যদি আবেদন করতে হয়; সেটাকে আমার কাছে মনে হয় একটা বিব্রত বিষয়। আমরা এই নিয়ম পরিবর্তন করবো। এরই মধ্যে আমি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছি। ক্রীড়া পুরস্কারে বর্তমানে যে নীতিমালা আছে সেখানে পরিবর্তন এনে আমরা যদি একটি কমিটি করে দিই, তাহলে ভালো হবে। আমরা সর্বজনস্বীকৃত একটি জাতীয় কমিটি করে দিলে ওই কমিটি প্রতিবছর দেখবে কারা সবচেয়ে যোগ্য এই পুরস্কারের জন্য। যোগ্য মানুষগুলোকে বাছাই করে আমরা সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে চাই।’

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আরো বলেছেন, ‘যিনি ক্রীড়াবিদ; ধরুন আমিও যদি হই, কখনো আবেদন করবো না। কখনোই সম্ভব না আবেদন করা। আমার মনে হয় এই ধরনের চিন্তার কারণে অনেকেই যোগ্য হলেও বিব্রত অবস্থায় পড়বে মনে করে আবেদন করেন না। আমার মনে হয়, যদি এই নীতিমালা পরিবর্তন করে জাতীয় কমিটির মাধ্যমে প্রতিবছরের যোগ্যদের পুরস্কার দিতে পারলে বেশি সম্মানের হবে।’

আরআই/এমএমআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow