জাতীয় নির্বাচন: রাজধানীতে শুনশান নীরবতা

আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। নির্বাচনকে সামনে রেখে এরই মধ্যে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। ভোটাধিকার প্রয়োগ ও টানা ছুটি উপভোগে রাজধানী ছেড়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার কর্মজীবী মানুষ। সড়কে দেখা মিলছে না গণপরিবহন। সাধারণ মানুষের উপস্থিতিও খুব একটা নেই। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর শ্যামলী, শিশুমেলা, আগারগাঁও, বিজয় সরণি, জাহাঙ্গীরগেট, মহাখালী, গুলশান ও বাড্ডা এলাকা সরেজমিনে এমন চিত্র দেখা গেছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, সকাল থেকেই রাজধানীর প্রধান সড়কগুলো প্রায় জনশূন্য। যেখানে সাধারণত দিনে যানজটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় পার হয়ে যেতো, যানবাহনের হর্ন ও মানুষের উপস্থিতিতে কোলাহলপূর্ণ থাকতো, সেসব সড়ক এখন শুনশান নীরব। এসব সড়কে হাতেগোনা দুই একটি ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচল করতে দেখা গেলেও গণপরিবহনের দেখা মেলা দায়। তবে দীর্ঘসময় পর পর দু-একটি গণপরিবহনের দেখা মিললেও যাত্রী সংকটে বাস পয়েন্টে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। এছাড়াও যাত্রীর জন্য চালকের সহকারীদের হাঁকডাক করতেও দেখা গেছে। এছাড়াও অনেক স্থানে ট্রাফিক পুলিশকে অলসভাবে দা

জাতীয় নির্বাচন: রাজধানীতে শুনশান নীরবতা

আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। নির্বাচনকে সামনে রেখে এরই মধ্যে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। ভোটাধিকার প্রয়োগ ও টানা ছুটি উপভোগে রাজধানী ছেড়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার কর্মজীবী মানুষ। সড়কে দেখা মিলছে না গণপরিবহন। সাধারণ মানুষের উপস্থিতিও খুব একটা নেই।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর শ্যামলী, শিশুমেলা, আগারগাঁও, বিজয় সরণি, জাহাঙ্গীরগেট, মহাখালী, গুলশান ও বাড্ডা এলাকা সরেজমিনে এমন চিত্র দেখা গেছে।

jagonews24

সরেজমিনে দেখা গেছে, সকাল থেকেই রাজধানীর প্রধান সড়কগুলো প্রায় জনশূন্য। যেখানে সাধারণত দিনে যানজটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় পার হয়ে যেতো, যানবাহনের হর্ন ও মানুষের উপস্থিতিতে কোলাহলপূর্ণ থাকতো, সেসব সড়ক এখন শুনশান নীরব। এসব সড়কে হাতেগোনা দুই একটি ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচল করতে দেখা গেলেও গণপরিবহনের দেখা মেলা দায়। তবে দীর্ঘসময় পর পর দু-একটি গণপরিবহনের দেখা মিললেও যাত্রী সংকটে বাস পয়েন্টে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। এছাড়াও যাত্রীর জন্য চালকের সহকারীদের হাঁকডাক করতেও দেখা গেছে।

এছাড়াও অনেক স্থানে ট্রাফিক পুলিশকে অলসভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। কারণ কোথাও নেই গাড়ির চাপ। বিভিন্ন দোকান ও ছোটোখাটো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোও ছিল বন্ধ বা ক্রেতাশূন্য। সব মিলিয়ে নির্বাচন ও টানা ছুটিকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে এক ধরনের নীরবতা ও ফাঁকা পরিবেশ বিরাজ করছে।

এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, প্রতিষ্ঠান ও সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের টানা চার দিনের ছুটি আজ (বুধবার) থেকে শুরু হয়েছে; যা আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। এছাড়াও নির্বাচন ও পূজার ছুটি মিলিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ছুটি থাকবে টানা পাঁচদিন। আজ থেকে শুরু হওয়া এই ছুটি চলবে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

jagonews24

এর আগে, নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি এবং শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। গত ২৫ জানুয়ারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোটগ্রহণের সুবিধার্থে নির্বাহী আদেশে দেশব্যাপী সাধারণ ছুটি বলবৎ থাকবে। একইসঙ্গে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারির বিশেষ ছুটিও বহাল রাখা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর সাথে ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় সাধারণ ছুটি চার দিনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া ১৫ ফেব্রুয়ারি ‘শ্রী শ্রী শিবরাত্রি ব্রত’ উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত ছুটি থাকায় সেখানে সর্বমোট পাঁচ দিনের ছুটি কার্যকর হচ্ছে। ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের মূল দিন নির্ধারিত রয়েছে।

কেআর/এমআরএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow