চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার বড়ো উঠান ইউনিয়নের ডাকপাড়া এলাকায় কর্ণফুলী উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এহসান খানের মায়ের জানাজায় শোক ব্যানার ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। এতে সাংবাদিকসহ ছয়জনের আহতের খবর পাওয়া গেছে।
আহতরা হলেন যুবদল নেতা আহমদ নুর, আবদুল হালিম, আবদুল আজিজ, নুর কবির, লোকমান ও দৈনিক আজাদীর কর্ণফুলী প্রতিনিধি মহিউদ্দিন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
জানাজায় দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব লায়ন হেলাল উদ্দিন, সাবেদ সংসদ সদস্য সরোয়ার জামাল নিজাম, কর্ণফুলী উপজেলা বিএনপির সভাপতি এসএম মামুন মিয়াসহ বিএনপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ঘটনার পর কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শরিফ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে কর্ণফুলী উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এহসান খানের মায়ের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে বিএনপি নেতারা শোক ব্যানার লাগান। এ সময় ব্যানার ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগে এক পক্ষ অপর পক্ষকে দায়ী করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে অনেকের হাতে লাঠি ও চাকু দেখা গেছে।
এ সময় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং কর্ণফুলী টানেল সংযোগ সড়কে আধাঘণ্টা গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলে গাড়ি চলাচল শুরু হয়। কর্ণফুলী উপজেলা বিএনপির সভাপতি এসএম মামুন মিয়া ও সাবেক সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম পক্ষের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়।
কর্ণফুলী থানার ওসি মুহাম্মদ শরিফ কালবেলাকে বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গেছি, আহত সাংবাদিককে দেখে এলাম। তবে এখনো কোনো পক্ষ অভিযোগ কিংবা মামলা করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেব।