জাবিতে হলের রুমে গাঁজা সেবনের সময় ছাত্রী আটক

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) নবাব ফয়জুন্নেসা হলে গাঁজাসহ এক ছাত্রীকে আটক করেছেন হল সংসদের শিক্ষার্থীরা। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের লক্ষ্যে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে হলের ১১৬ নম্বর কক্ষ থেকে মাদক সেবনরত অবস্থায় তাকে আটক করেন শিক্ষার্থীরা। অভিযুক্ত ওই ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী এবং বেগম খালেদা জিয়া হলের আবাসিক ছাত্রী। নবাব ফয়জুন্নেসা হলের যে কক্ষটিতে অভিযান চালানো হয়, সেটি ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ৫১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী তনুজা তিথির। নবাব ফয়জুন্নেসা হল সংসদের জিএস সুমাইয়া খানমের অভিযোগের ভিত্তিতে হলের ওয়ার্ডেন সুলতানা আক্তার ওই কক্ষে অভিযান চালান। অভিযানকালে ওই ছাত্রীকে মাদকসহ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়া হলের সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা তুজ যোহরা (প্রাণিবিদ্যা বিভাগ) ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্তকে নিয়ে যান। এ বিষয়ে নবাব ফয়জুন্নেসা হল সংসদের জিএস সুমাইয়া খানম বলেন, আগেও ওই মেয়ে বহিরাগত নিয়ে হলে আসতো। আগে এমন অভিযোগ শুনেছি, আর আজ তাকে হাতেনাতে ধরেছি। আমি এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানা

জাবিতে হলের রুমে গাঁজা সেবনের সময় ছাত্রী আটক

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) নবাব ফয়জুন্নেসা হলে গাঁজাসহ এক ছাত্রীকে আটক করেছেন হল সংসদের শিক্ষার্থীরা। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের লক্ষ্যে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে হলের ১১৬ নম্বর কক্ষ থেকে মাদক সেবনরত অবস্থায় তাকে আটক করেন শিক্ষার্থীরা।

অভিযুক্ত ওই ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী এবং বেগম খালেদা জিয়া হলের আবাসিক ছাত্রী।

নবাব ফয়জুন্নেসা হলের যে কক্ষটিতে অভিযান চালানো হয়, সেটি ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ৫১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী তনুজা তিথির।

নবাব ফয়জুন্নেসা হল সংসদের জিএস সুমাইয়া খানমের অভিযোগের ভিত্তিতে হলের ওয়ার্ডেন সুলতানা আক্তার ওই কক্ষে অভিযান চালান। অভিযানকালে ওই ছাত্রীকে মাদকসহ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়া হলের সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা তুজ যোহরা (প্রাণিবিদ্যা বিভাগ) ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্তকে নিয়ে যান।

এ বিষয়ে নবাব ফয়জুন্নেসা হল সংসদের জিএস সুমাইয়া খানম বলেন, আগেও ওই মেয়ে বহিরাগত নিয়ে হলে আসতো। আগে এমন অভিযোগ শুনেছি, আর আজ তাকে হাতেনাতে ধরেছি। আমি এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

ঘটনার বিষয়ে নবাব ফয়জুন্নেসা হলের প্রভোস্ট গোলাম মোস্তফা জানান, হলের জিএস সুমাইয়া খানমের অভিযোগের ভিত্তিতে ওয়ার্ডেন সুলতানা আক্তার ওই ছাত্রীর কক্ষে অভিযান চালিয়ে মাদক উদ্ধার করেছেন।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের লক্ষ্যে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিন কার্যদিবসে তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে বেগম খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট মনজুর ইলাহী বলেন, ওই মেয়ে আমাদের হলের এলোটেড শিক্ষার্থী হলেও হলে থাকে না। ফয়জুন্নেসা হলের তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম রাশিদুল আলম বলেন, এ বিষয়ে হল প্রশাসন বিস্তারিত বলতে পারবে। ঘটনার সত্যতা ও প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অভিযুক্তকে উপযুক্ত শাস্তি প্রদান করবে।

ঘটনার পর অভিযুক্ত শিক্ষার্থী হল ত্যাগ করায় তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে কল করেও তাকে পাওয়া যাচ্ছে না।

রকিব হাসান প্রান্ত/এফএ/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow