জামানত হারালেন তিনবারের এমপি
ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনে জামানত হারিয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য ফখরুল ইমাম। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি পেয়েছেন ১ হাজার ৭১৯টি ভোট। এ আসনে তিনি চতুর্থ, দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী প্রকৌশলী লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু। নির্বাচন কমিশনের বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট প্রদত্ত বৈধ ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট পেতে হয়। সেটা না হলে জামানত বাবদ দেওয়া টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হবে। ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার সানজিদা রহমানের ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ইঞ্জিনিয়ার লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু পেয়েছেন ১ লাখ ৭ হাজার ৫৭৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট থেকে এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আওরঙ্গজেব বেলাল পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৭৯১ ভোট। আসনে মোট চারজন প্রার্থী ছিলেন। বিএনপি থেকে পদত্যাগ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে নির্বাচনে অংশ নেওয়া শাহ নুরুল কবীর
ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনে জামানত হারিয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য ফখরুল ইমাম। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি পেয়েছেন ১ হাজার ৭১৯টি ভোট। এ আসনে তিনি চতুর্থ, দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন।
এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী প্রকৌশলী লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু।
নির্বাচন কমিশনের বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট প্রদত্ত বৈধ ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট পেতে হয়। সেটা না হলে জামানত বাবদ দেওয়া টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হবে।
ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার সানজিদা রহমানের ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ইঞ্জিনিয়ার লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু পেয়েছেন ১ লাখ ৭ হাজার ৫৭৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট থেকে এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আওরঙ্গজেব বেলাল পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৭৯১ ভোট।
আসনে মোট চারজন প্রার্থী ছিলেন। বিএনপি থেকে পদত্যাগ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে নির্বাচনে অংশ নেওয়া শাহ নুরুল কবীর পেয়েছেন ৩২ হাজার ৭৩৪ ভোট। আর জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমাম ভোট পেয়েছেন ১ হাজার ৭১৯টি ভোট। মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৪৫ হাজার ৭৪৬ জন।
উপজেলার একটি পৌরসভার ও ১১টি ইউনিয়নে মোট ভোটার ৩ লাখ ৪৮ হাজার ৮৭৯ জন। পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭৯ হাজার ৪৩৭ জন,নারী ভোটার ১ লাখ ৬৯ হাজার ৪৩৬ জন। হিজরা ভোটার ৬ জন। মোট ৯২টি কেন্দ্রের ৬২৮টি কক্ষে ১ লাখ ৯২ হাজার ৬৩২ জন ভোটার ভোট দেন। আসনটিতে মোট ভোট পড়েছে ৫৫ দশমিক ৭১ শতাংশ। ভোট বাতিল হয়েছে ৪ হাজার ৮১১টি।
What's Your Reaction?