জামায়াত আমিরের সঙ্গে ইইউ প্রতিনিধিদলের বৈঠক

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) এক্সটার্নাল অ্যাকশন সার্ভিসের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের পরিচালক পাওলা পাম্পালোনি। বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জামায়াত আমিরের বসুন্ধরার কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তিন সদস্যের ইইউ প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যরা হলেন—ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মি. মাইকেল মিলার এবং মিস মনিকা বাইলাইতে—উপপ্রধান, দক্ষিণ এশিয়া বিভাগ, ইউরোপীয় এক্সটারনাল অ্যাকশন সার্ভিস। জামায়াত আমিরের সঙ্গে ছিলেন নায়েবে আমির ও সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির এবং জামায়াত আমিরের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান। বৈঠক শেষে এক সংক্ষিপ্ত প্রেস ব্রিফিংয়ে ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেন, আগামী নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠানো ও রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আমরা বলেছি, বাংলাদেশে একটা স্বচ্ছ এবং বিশ্বাসযোগ্য নির

জামায়াত আমিরের সঙ্গে ইইউ প্রতিনিধিদলের বৈঠক

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) এক্সটার্নাল অ্যাকশন সার্ভিসের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের পরিচালক পাওলা পাম্পালোনি।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জামায়াত আমিরের বসুন্ধরার কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

তিন সদস্যের ইইউ প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যরা হলেন—ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মি. মাইকেল মিলার এবং মিস মনিকা বাইলাইতে—উপপ্রধান, দক্ষিণ এশিয়া বিভাগ, ইউরোপীয় এক্সটারনাল অ্যাকশন সার্ভিস।

জামায়াত আমিরের সঙ্গে ছিলেন নায়েবে আমির ও সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির এবং জামায়াত আমিরের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান।

বৈঠক শেষে এক সংক্ষিপ্ত প্রেস ব্রিফিংয়ে ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেন, আগামী নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠানো ও রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আমরা বলেছি, বাংলাদেশে একটা স্বচ্ছ এবং বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অত্যন্ত জরুরি। বিগত ৫৫ বছরে বাংলাদেশে যে সংকট তৈরি হয়েছে তা উত্তরণের জন্য প্রয়োজন একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। যদি আগামী নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ না হয় তাহলে ক্রাইসিস শেষ হবে না বরং ক্রাইসিস আবার নতুন করে তৈরি হবে, সংকট আরও গভীরতর হবে।

তিনি আরও বলেন, গত এক-দুই সপ্তাহ ধরে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যেভাবে একটি বিশেষ দলের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে এবং প্রশাসন যেভাবে একটা দলের প্রতি আনুগত্য দেখাচ্ছে এতে শঙ্কা তৈরি হয়েছে আগামী নির্বাচন অতীতের পাতানো নির্বাচনগুলোর মতো হবে কি না? আমরা মনে করি এ ধরনের পাতানো নির্বাচন বাংলাদেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow