জামায়াতের উদ্যোগে মাথা গোঁজার ঠাঁই হলো বৃদ্ধ আছিয়া-খাদিজার

মিরসরাইয়ের অজপাড়াগাঁয়ে বসবাস করেন‌‌ বৃদ্ধ আছিয়া ও খাদিজা। স্বামী সন্তানহারা অসহায় দুই বোনের মাথা গোঁজার ভালো কোনো ঠাঁই ছিল না। বর্ষায় ঘরের ভেতর পানি পড়ে, শীতে ঠান্ডা বাতাস। কোনোরকম মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন। তাদের দুই কক্ষবিশিষ্ট একটি নতুন ঘর উপহার দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে মিরসরাই আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট সাইফুর রহমান তাদের হাতে ঘরের চাবি তুলে দেন। জানা গেছে, মিরসরাই উপজেলার মায়ানী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আছিয়া ও খাদিজা। স্বামী সন্তানহারা অসহায় দুই বোন। তাদের থাকার ভালো জায়গা ছিল না। বিষয়টি স্থানীয় ইউনিয়ন জামায়াতের নেতাকর্মীদের নজরে আসে। পরে তারা নিজ অর্থায়নে দুই কক্ষবিশিষ্ট ঘর নির্মাণ করেন। রোববার দুপুরে তাদের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘরটি হস্তান্তর করা হয়। নতুন ঘর পেয়ে আবেগাপ্লুত আছিয়া বলেন, ‘একটা ভাঙা ঘর, ভাঙা বেড়া আর ছিদ্রে ভরা ছিল টিনের চালা। বৃষ্টি হলে ঝরঝর করে পানি পড়ে বিছানা ভিজে যেত। ভাঙা বেড়া দিয়ে শীতের রাতে বাতাস বিনা বাধায় ঘরে ঢুকে যেত। তীব্র শীতে কাঁথা মুড়িয়েও শীত কমতো না। জামায়াতের লোকজন ঘরটা করে দিয়েছে আমাদের দু

জামায়াতের উদ্যোগে মাথা গোঁজার ঠাঁই হলো বৃদ্ধ আছিয়া-খাদিজার

মিরসরাইয়ের অজপাড়াগাঁয়ে বসবাস করেন‌‌ বৃদ্ধ আছিয়া ও খাদিজা। স্বামী সন্তানহারা অসহায় দুই বোনের মাথা গোঁজার ভালো কোনো ঠাঁই ছিল না। বর্ষায় ঘরের ভেতর পানি পড়ে, শীতে ঠান্ডা বাতাস। কোনোরকম মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন। তাদের দুই কক্ষবিশিষ্ট একটি নতুন ঘর উপহার দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।

রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে মিরসরাই আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট সাইফুর রহমান তাদের হাতে ঘরের চাবি তুলে দেন।

জানা গেছে, মিরসরাই উপজেলার মায়ানী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আছিয়া ও খাদিজা। স্বামী সন্তানহারা অসহায় দুই বোন। তাদের থাকার ভালো জায়গা ছিল না। বিষয়টি স্থানীয় ইউনিয়ন জামায়াতের নেতাকর্মীদের নজরে আসে। পরে তারা নিজ অর্থায়নে দুই কক্ষবিশিষ্ট ঘর নির্মাণ করেন। রোববার দুপুরে তাদের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘরটি হস্তান্তর করা হয়।

নতুন ঘর পেয়ে আবেগাপ্লুত আছিয়া বলেন, ‘একটা ভাঙা ঘর, ভাঙা বেড়া আর ছিদ্রে ভরা ছিল টিনের চালা। বৃষ্টি হলে ঝরঝর করে পানি পড়ে বিছানা ভিজে যেত। ভাঙা বেড়া দিয়ে শীতের রাতে বাতাস বিনা বাধায় ঘরে ঢুকে যেত। তীব্র শীতে কাঁথা মুড়িয়েও শীত কমতো না। জামায়াতের লোকজন ঘরটা করে দিয়েছে আমাদের দুই বোনকে। একপাশে আমি অন্যপাশে আমার বোন খাদিজা থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, জামায়াতের লোকদের জন্য আমরা দোয়া করি। আমাদের আরেক বোন আছে তার ঘরও ভাঙা। তার ঘরটা করে দিলে তারও থাকার জন্য ভালো হতো।

স্থানীয় জামায়াতের নেতারা বলেন, নিজেদের পকেটের টাকায় দুই বোনের জন্য ঘরটি করে দিয়েছি। ভবিষ্যতে যদি সম্ভব হয় অন্য বোনের ঘরটিও করে দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে মিরসরাই আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট সাইফুর রহমান বলেন, জামায়াতে ইসলামী সবসময় চেষ্টা করে গরিব-দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়াতে। তবে এসব বিষয় বেশিরভাগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা প্রচার মাধ্যমগুলোতে দেওয়া হয় না। ভালো কাজগুলো প্রচার করা প্রয়োজন এতে অন্যরাও ভালো কাজে উৎসাহিত হবে।

এম মাঈন উদ্দিন/এমএন/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow