জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ
দীর্ঘদিনের স্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করেছে স্থানীয়রা। এ সময় দুই ঘণ্টা ধরে শতশত গাড়ি আটকা পড়ে।
রোববার (২৪ মে) জামালপুর বিসিক এলাকায় বেলা ১১টায় মহাসড়ক অবরোধ করা হয়।
এতে সড়কের দুই পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। ভোগান্তিতে পড়েন ঢাকা থেকে আসা ও ঢাকাগামী যাত্রীরা। সকাল ১০টার জামালপুর পৌর শহরের দড়িপাড়া, দাপুনিয়াসহ ৫টি এলাকার বাসিন্দাদের ব্যানারে মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এ সময় মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলনকারীরা।
জলাবদ্ধতার শিকার ভুক্তভোগী আ. রশিদ জানান, টানা ১৯ বছরের জলাবদ্ধতায় শতশত একর ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। বিষয়টি প্রশাসনকে বার বার জানিয়েও কোনো সমাধান পাননি তারা।
ভুক্তভোগী মোজাম্মেল হক বলেন, জলাবদ্ধতা দূর করতে দ্রুত ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করতে হবে, জলাবদ্ধতা দূর করতে যা যা করা দরকার তা করতে হবে। তা না হলে তারা আবারও আন্দোলন করবে বলে জানান।
দুপুর ১টার দিকে জামালপুর পৌরসভার কর্মকর্তাদের আশ্বাসে প্রায় ২ ঘণ্টা পর অবরোধ প্রত্যাহার করেন স্থানীয়রা। এরপর স্বাভাাবিক হয় জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়কের যান চলাচল।
জামালপুর পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী সোহেল ম
দীর্ঘদিনের স্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করেছে স্থানীয়রা। এ সময় দুই ঘণ্টা ধরে শতশত গাড়ি আটকা পড়ে।
রোববার (২৪ মে) জামালপুর বিসিক এলাকায় বেলা ১১টায় মহাসড়ক অবরোধ করা হয়।
এতে সড়কের দুই পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। ভোগান্তিতে পড়েন ঢাকা থেকে আসা ও ঢাকাগামী যাত্রীরা। সকাল ১০টার জামালপুর পৌর শহরের দড়িপাড়া, দাপুনিয়াসহ ৫টি এলাকার বাসিন্দাদের ব্যানারে মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এ সময় মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলনকারীরা।
জলাবদ্ধতার শিকার ভুক্তভোগী আ. রশিদ জানান, টানা ১৯ বছরের জলাবদ্ধতায় শতশত একর ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। বিষয়টি প্রশাসনকে বার বার জানিয়েও কোনো সমাধান পাননি তারা।
ভুক্তভোগী মোজাম্মেল হক বলেন, জলাবদ্ধতা দূর করতে দ্রুত ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করতে হবে, জলাবদ্ধতা দূর করতে যা যা করা দরকার তা করতে হবে। তা না হলে তারা আবারও আন্দোলন করবে বলে জানান।
দুপুর ১টার দিকে জামালপুর পৌরসভার কর্মকর্তাদের আশ্বাসে প্রায় ২ ঘণ্টা পর অবরোধ প্রত্যাহার করেন স্থানীয়রা। এরপর স্বাভাাবিক হয় জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়কের যান চলাচল।
জামালপুর পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী সোহেল মিয়া বলেন, পানি নিষ্কাশনের কাজ শুরু করা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে দ্রুত সময়ের মধ্যে জলাবদ্ধতা নিরসনে জন্য স্থায়ী ব্যবস্থা করা হবে।
জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে এলাকাবাসী সড়ক অবরোধ করেছিলেন। পরে তাদের বুঝিয়ে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। বর্তমানে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।