জামালপুর–ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ
অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে জামালপুর–ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সোমবার (২৯ জুন) রাত সাড়ে ৭টার দিকে জামালপুর সদরের শরিফপুর বাজার এলাকায় এ অবরোধের ঘটনা ঘটে। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে এবং যাত্রীদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়।
অবরোধে অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দা সোহাগ বলেন, ‘পল্লী বিদ্যুতের লাগাতার লোডশেডিংয়ের কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। হয় নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে, নয়তো সংযোগ খুলে নিয়ে যেতে হবে।’
স্থানীয় অটোরিকশাচালক সজল অভিযোগ করে বলেন, ‘অন্যান্য এলাকায় বিদ্যুৎ থাকলেও আমাদের এলাকায় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ থাকে না। বিদ্যুতের দাম বাড়লেও কাঙ্ক্ষিত সেবা মিলছে না। এতে ঠিকমতো গাড়ি চালাতেও সমস্যা হচ্ছে।’
আরেক বাসিন্দা হাকিম বলেন, ‘অটো চলে না, ব্যবসা করা যায় না, রাতে ঘুমানো যায় না। বাধ্য হয়েই আমরা সড়ক অবরোধ করেছি।’
স্থানীয়দের অভিযোগ, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মাত্র দুই থেকে তিন ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়, বাকি সময়জুড়েই লোডশেডিং থাকে।
অবরোধের কারণে ঢাকাগামী ও জামালপুর শহরমুখী শত শত যানবাহন দীর্ঘ সময় আটকা পড়ে। খবর পেয়ে জামালপুর সদর থানার পুলিশের
অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে জামালপুর–ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সোমবার (২৯ জুন) রাত সাড়ে ৭টার দিকে জামালপুর সদরের শরিফপুর বাজার এলাকায় এ অবরোধের ঘটনা ঘটে। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে এবং যাত্রীদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়।
অবরোধে অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দা সোহাগ বলেন, ‘পল্লী বিদ্যুতের লাগাতার লোডশেডিংয়ের কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। হয় নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে, নয়তো সংযোগ খুলে নিয়ে যেতে হবে।’
স্থানীয় অটোরিকশাচালক সজল অভিযোগ করে বলেন, ‘অন্যান্য এলাকায় বিদ্যুৎ থাকলেও আমাদের এলাকায় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ থাকে না। বিদ্যুতের দাম বাড়লেও কাঙ্ক্ষিত সেবা মিলছে না। এতে ঠিকমতো গাড়ি চালাতেও সমস্যা হচ্ছে।’
আরেক বাসিন্দা হাকিম বলেন, ‘অটো চলে না, ব্যবসা করা যায় না, রাতে ঘুমানো যায় না। বাধ্য হয়েই আমরা সড়ক অবরোধ করেছি।’
স্থানীয়দের অভিযোগ, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মাত্র দুই থেকে তিন ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়, বাকি সময়জুড়েই লোডশেডিং থাকে।
অবরোধের কারণে ঢাকাগামী ও জামালপুর শহরমুখী শত শত যানবাহন দীর্ঘ সময় আটকা পড়ে। খবর পেয়ে জামালপুর সদর থানার পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। এ সময় বিজিবির কর্মকর্তাদের বহনকারী একটি গাড়িও অবরোধে আটকা পড়ে থাকতে দেখা যায়।
জামালপুর সদর থানার তদন্ত ওসি নূর মোহাম্মদ বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অবরোধকারীদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত সড়ক থেকে অবরোধ তুলে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’