জামালপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৫

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় কলা গাছের পাতা কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারীসহ ৫ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের সানাকৈর পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গ্রামের বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম হারুনের স্ত্রী প্রতিবেশী মৃত উমর আলীর ছেলে নুরুল ইসলামের পরিবারের বিরুদ্ধে তাদের কলা গাছের পাতা কাটার অভিযোগ তোলেন। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে প্রথমে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। ভুক্তভোগী পক্ষের অভিযোগ, ঝগড়ার একপর্যায়ে হারুনের স্ত্রী তার বাবার বাড়ি থেকে হুমায়ুন ও রানাসহ ১০ থেকে ১২ জন লোক ডেকে আনেন। তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে নুরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী এবং বৃদ্ধা মাকে মারধর করেন। সংঘর্ষে হারুনের স্ত্রী ও তার ছেলে ফাহিমও আহত হন। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে সরিষাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। আহতদের মধ্যে নুরুল ইসলামের স্ত্রীর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসক তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করেন। তবে চরম দারিদ্র্যের কারণে নুরুল ইসলাম তার স্ত্রীকে জেলা হাসপাতালে

জামালপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৫

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় কলা গাছের পাতা কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারীসহ ৫ জন আহত হয়েছেন।

শুক্রবার (১ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের সানাকৈর পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গ্রামের বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম হারুনের স্ত্রী প্রতিবেশী মৃত উমর আলীর ছেলে নুরুল ইসলামের পরিবারের বিরুদ্ধে তাদের কলা গাছের পাতা কাটার অভিযোগ তোলেন। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে প্রথমে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।

ভুক্তভোগী পক্ষের অভিযোগ, ঝগড়ার একপর্যায়ে হারুনের স্ত্রী তার বাবার বাড়ি থেকে হুমায়ুন ও রানাসহ ১০ থেকে ১২ জন লোক ডেকে আনেন। তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে নুরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী এবং বৃদ্ধা মাকে মারধর করেন। সংঘর্ষে হারুনের স্ত্রী ও তার ছেলে ফাহিমও আহত হন।

আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে সরিষাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। আহতদের মধ্যে নুরুল ইসলামের স্ত্রীর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসক তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করেন।

তবে চরম দারিদ্র্যের কারণে নুরুল ইসলাম তার স্ত্রীকে জেলা হাসপাতালে ভর্তি করাতে পারেনি। বর্তমানে তিনি বাড়িতেই চিকিৎসাবিহীন অবস্থায় কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন।

সরিষাবাড়ী থানার ওসি মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন জানান, ঘটনার খবর আমরা পেয়েছি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow