জামায়াত আমিরের এক্স হ্যাক : আদালতে যা বললেন ছরওয়ার
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট হ্যাকের ঘটনায় গ্রেপ্তার বঙ্গভবনের সহকারী প্রোগ্রামার মোহাম্মদ ছরওয়ার আলম আদালতে দাঁড়িয়ে নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করেছেন। তিনি বলেন, এ ঘটনায় তিনি কোনোভাবেই জড়িত নন এবং তদন্তে সর্বাত্মক সহযোগিতা করছেন।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) মামলার শুনানিতে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জুনাইদের আদালতে হাজির হয়ে এসব কথা বলেন ছরওয়ার আলম। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।
আদালতের অনুমতি নিয়ে ছরওয়ার আলম বলেন, আমি স্বেচ্ছায় আমার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ তদন্ত কর্মকর্তার কাছে জমা দিয়েছি। আমার হাত দিয়ে কোনো খারাপ কাজ হয়নি। আমি এমন কাজ করিনি এবং করবও না। আমি শতভাগ নিজেকে নির্দোষ দাবি করছি।
তিনি আরও বলেন, এই বয়সে এসে এ ধরনের কাজ করে কি আমি নিজের পেনশন নষ্ট করব? আমার পরিবার রয়েছে। চাকরির শেষ সময়ে এসে এমন কাজ করার কোনো যুক্তি নেই।
শুনানির একপর্যায়ে বিচারক তাকে জিজ্ঞাসা করেন, তিনি কিছু বলতে চান কি না। জবাবে ছরওয়ার আলম বলেন, আমি এ ধরনের কোনো কাজ করিনি। তদন্ত কর্মকর্তাকে বারবার বলেছি—আমি
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট হ্যাকের ঘটনায় গ্রেপ্তার বঙ্গভবনের সহকারী প্রোগ্রামার মোহাম্মদ ছরওয়ার আলম আদালতে দাঁড়িয়ে নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করেছেন। তিনি বলেন, এ ঘটনায় তিনি কোনোভাবেই জড়িত নন এবং তদন্তে সর্বাত্মক সহযোগিতা করছেন।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) মামলার শুনানিতে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জুনাইদের আদালতে হাজির হয়ে এসব কথা বলেন ছরওয়ার আলম। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।
আদালতের অনুমতি নিয়ে ছরওয়ার আলম বলেন, আমি স্বেচ্ছায় আমার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ তদন্ত কর্মকর্তার কাছে জমা দিয়েছি। আমার হাত দিয়ে কোনো খারাপ কাজ হয়নি। আমি এমন কাজ করিনি এবং করবও না। আমি শতভাগ নিজেকে নির্দোষ দাবি করছি।
তিনি আরও বলেন, এই বয়সে এসে এ ধরনের কাজ করে কি আমি নিজের পেনশন নষ্ট করব? আমার পরিবার রয়েছে। চাকরির শেষ সময়ে এসে এমন কাজ করার কোনো যুক্তি নেই।
শুনানির একপর্যায়ে বিচারক তাকে জিজ্ঞাসা করেন, তিনি কিছু বলতে চান কি না। জবাবে ছরওয়ার আলম বলেন, আমি এ ধরনের কোনো কাজ করিনি। তদন্ত কর্মকর্তাকে বারবার বলেছি—আমি সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। চাকরির শেষ বয়সে এসে কেন আমি এমন ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করব?
এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে আদালতে এনে হাজতখানায় রাখা হয়। পরে বিকেল তিনটার দিকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করা হয়।
এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হাতিরঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) খন্দকার সালেহ আবু নাঈম তাকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেন। তবে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তাকে জামিন দেন।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনস অডিটোরিয়ামের পূর্ব পাশের সরকারি কোয়ার্টারে অভিযান চালিয়ে ডিবি পুলিশের একটি দল ছরওয়ার আলমকে আটক করে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ৩১ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে কর্মজীবী নারীদের নিয়ে একটি আপত্তিকর পোস্ট দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, বঙ্গভবনের একটি ই-মেইল ব্যবহার করে ওই অ্যাকাউন্টে অনধিকার প্রবেশ করা হয়েছিল। এ ঘটনায় বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
পরদিন ১ ফেব্রুয়ারি ভোরে জামায়াতের পক্ষ থেকে রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে ছরওয়ার আলমকে আটকের পর তাঁকেসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২০ জনকে আসামি করে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ আইনে মামলা করা হয়।