জামায়াত কর্মীর বাসায় পুলিশের অভিযান, ওসি প্রত্যাহারের দাবি
ফেনীর দাগনভূঞায় জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার বাসায় পুলিশের অভিযানকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দাগনভূঞা বাজার এলাকায় জামায়াত কর্মী ও শিক্ষক আব্দুর রহিমের (৭০) বাসায় দাগনভূঞা থানা পুলিশ অভিযান চালায়।
ঘটনার প্রতিবাদে ফেনী-৩ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. ফখরুদ্দিন মানিক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, একজন সম্মানিত শিক্ষকের বাসায় এ ধরনের অভিযান কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি এই ঘটনার দায় নিয়ে দাগনভূঞা থানার ওসি মোহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমানকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।
ডা. ফখরুদ্দিন মানিক আরও বলেন, এ ঘটনায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশ নিয়ে জনমনে শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।
সোনাগাজী ও দাগনভূঞা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) সৈয়দ মুমিদ রায়হান জানান, পুলিশ অভিযানটি একটি গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালনা করেছিল। পরে তথ্য সঠিক না হওয়ায় আব্দুর রহিমের প্রতি পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।
ফেনীর দাগনভূঞায় জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার বাসায় পুলিশের অভিযানকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দাগনভূঞা বাজার এলাকায় জামায়াত কর্মী ও শিক্ষক আব্দুর রহিমের (৭০) বাসায় দাগনভূঞা থানা পুলিশ অভিযান চালায়।
ঘটনার প্রতিবাদে ফেনী-৩ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. ফখরুদ্দিন মানিক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, একজন সম্মানিত শিক্ষকের বাসায় এ ধরনের অভিযান কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি এই ঘটনার দায় নিয়ে দাগনভূঞা থানার ওসি মোহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমানকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।
ডা. ফখরুদ্দিন মানিক আরও বলেন, এ ঘটনায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশ নিয়ে জনমনে শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।
সোনাগাজী ও দাগনভূঞা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) সৈয়দ মুমিদ রায়হান জানান, পুলিশ অভিযানটি একটি গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালনা করেছিল। পরে তথ্য সঠিক না হওয়ায় আব্দুর রহিমের প্রতি পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।