জামায়াত সংসদে ইতিহাসের শিক্ষার্থী হতে যায়নি : ডা. শফিকুর রহমান
সংসদে ইতিহাসের শিক্ষক বা শিক্ষার্থী হতে নয়, জনগণের অধিকার নিয়ে কথা বলতে যায় জামায়াত বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। শুক্রবার (১ মে) বিকেলে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে তিনি এই কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা সংসদে গিয়ে ইতিহাসের শিক্ষক বা শিক্ষার্থী হতে যায়নি। জামায়াত জনগণের অধিকারের কথা বলতে চায় এবং শোষিত মানুষের প্রতিনিধিত্ব করতে চায়।’ বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় ব্যর্থ দূতাবাসগুলো সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘যেসব দূতাবাস বিদেশে আমাদের শ্রমিক ভাইদের ন্যূনতম স্বার্থ ও নিরাপত্তা রক্ষা করতে পারে না, সেসব দূতাবাস চালু রাখার কোনো যৌক্তিকতা নেই। প্রয়োজনে সেসব দূতাবাস বন্ধ করে দেওয়া উচিত।’ এছাড়া, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মালিক ও শ্রমিকের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সম্পর্কে বিশ্বাসী বলেও জানান তিনি। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মালিক ও শ্রমিকের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সম্পর্কে বিশ্বাসী। সমাবেশে জামায়াতে ইসলামী ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় ও মহানগ
সংসদে ইতিহাসের শিক্ষক বা শিক্ষার্থী হতে নয়, জনগণের অধিকার নিয়ে কথা বলতে যায় জামায়াত বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
শুক্রবার (১ মে) বিকেলে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে তিনি এই কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা সংসদে গিয়ে ইতিহাসের শিক্ষক বা শিক্ষার্থী হতে যায়নি। জামায়াত জনগণের অধিকারের কথা বলতে চায় এবং শোষিত মানুষের প্রতিনিধিত্ব করতে চায়।’
বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় ব্যর্থ দূতাবাসগুলো সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘যেসব দূতাবাস বিদেশে আমাদের শ্রমিক ভাইদের ন্যূনতম স্বার্থ ও নিরাপত্তা রক্ষা করতে পারে না, সেসব দূতাবাস চালু রাখার কোনো যৌক্তিকতা নেই। প্রয়োজনে সেসব দূতাবাস বন্ধ করে দেওয়া উচিত।’
এছাড়া, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মালিক ও শ্রমিকের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সম্পর্কে বিশ্বাসী বলেও জানান তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মালিক ও শ্রমিকের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সম্পর্কে বিশ্বাসী।
সমাবেশে জামায়াতে ইসলামী ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় ও মহানগর পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
What's Your Reaction?