জামায়াতকে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ালেন খেলাফত মজলিসের প্রার্থী
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ (দাগনভূঞা-সোনাগাজী) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. ফখরুদ্দিন মানিককে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন খেলাফত মজলিসের মাওলানা মোহাম্মদ আলী মিল্লাত। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে ফেনী জেলা প্রশাসক ও রির্টানিং কর্মকর্তা মনিরা হকের কাছে প্রার্থিতা প্রত্যাহারপত্র জমা দিয়েছেন তিনি। পরে জেলা প্রশাসক তা গ্রহণ করেন। মাওলানা মোহাম্মদ আলী মিল্লাত বলেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং ইসলামী মূল্যবোধের প্রসারে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার বিকল্প নেই। ফেনী-৩ আসনে ইসলামী ও দেশপ্রেমিক শক্তির ভোট যাতে বিভাজন না হয়, সেই লক্ষ্যেই আমি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে নিজের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিচ্ছি। তিনি আরও বলেন, এখন থেকে আমি ও খেলাফত মজলিসের সকল স্তরের নেতাকর্মীরা ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী ফখরুদ্দিন মানিকের বিজয় সুনিশ্চিত করতে সক্রিয়ভাবে মাঠে কাজ করব। উল্লেখ্য, ফেনী-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক। মাওলানা মিল্লাত সরে যাওয়ায় এই আসনে জামায়াত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ (দাগনভূঞা-সোনাগাজী) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. ফখরুদ্দিন মানিককে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন খেলাফত মজলিসের মাওলানা মোহাম্মদ আলী মিল্লাত।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে ফেনী জেলা প্রশাসক ও রির্টানিং কর্মকর্তা মনিরা হকের কাছে প্রার্থিতা প্রত্যাহারপত্র জমা দিয়েছেন তিনি। পরে জেলা প্রশাসক তা গ্রহণ করেন।
মাওলানা মোহাম্মদ আলী মিল্লাত বলেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং ইসলামী মূল্যবোধের প্রসারে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার বিকল্প নেই। ফেনী-৩ আসনে ইসলামী ও দেশপ্রেমিক শক্তির ভোট যাতে বিভাজন না হয়, সেই লক্ষ্যেই আমি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে নিজের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, এখন থেকে আমি ও খেলাফত মজলিসের সকল স্তরের নেতাকর্মীরা ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী ফখরুদ্দিন মানিকের বিজয় সুনিশ্চিত করতে সক্রিয়ভাবে মাঠে কাজ করব।
উল্লেখ্য, ফেনী-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক। মাওলানা মিল্লাত সরে যাওয়ায় এই আসনে জামায়াত প্রার্থীর অবস্থান আরও শক্তিশালী হলো বলে মনে করছেন নেতাকর্মীরা।
মাওলানা মিল্লাত খেলাফত মজলিসের প্রতীক ‘দেওয়াল ঘড়ি’ নিয়ে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। তবে জোটবদ্ধ রাজনীতির পরিপ্রেক্ষিতে কৌশলগত কারণে তার এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন জামায়াতের নেতাকর্মীরা।
What's Your Reaction?