জামায়াতে ইসলামীর নাম ‘আওয়ামী জামায়াত লীগ’ দিলেন রাশেদ খাঁন

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন। আওয়ামী লীগ (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) ও জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক অবস্থানকে এক কাতারে এনে তিনি দাবি করেছেন, বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে দুই দলের বক্তব্য ও কর্মকৌশলের মধ্যে মিল দেখা যাচ্ছে। এমন প্রেক্ষাপটে জামায়াতে ইসলামীর নতুন নাম ‘আওয়ামী জামায়াত লীগ’ হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সোমবার (২২ জুন) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন রাশেদ খাঁন। নিম্নে রাশেদ খাঁনের ফেসবুক পোস্টটি কালবেলার পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো- আওয়ামী লীগের ফেসবুক পেজ আর জামায়াতে ইসলামীর ফেসবুক পেজের দিকে তাকালে দেখি বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে একই রকম বক্তব্য। ছাত্রলীগ আর শিবিরেরও তাই। আর এ জন্যই বলি, আওয়ামী লীগের আর রাজনীতির প্রয়োজন নেই। সব জামায়াত এখন আওয়ামী লীগ হয়ে গেছে! থুক্কু! আওয়ামী লীগের চরিত্রে জামায়াত ফিরে এসেছে। বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর নাম 'আওয়ামী জামায়াত লীগ' হিসেবেও ডাকা যায়। সে জন্য আওয়ামী লীগের আর কোনো প্রাসঙ্গিকতা আছে বলে মনে করি না। বরং দারুণভাবে এই জায়গাটা জামায়াতে ইসলামী দখল করেছে।

জামায়াতে ইসলামীর নাম ‘আওয়ামী জামায়াত লীগ’ দিলেন রাশেদ খাঁন

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন। আওয়ামী লীগ (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) ও জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক অবস্থানকে এক কাতারে এনে তিনি দাবি করেছেন, বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে দুই দলের বক্তব্য ও কর্মকৌশলের মধ্যে মিল দেখা যাচ্ছে। এমন প্রেক্ষাপটে জামায়াতে ইসলামীর নতুন নাম ‘আওয়ামী জামায়াত লীগ’ হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার (২২ জুন) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন রাশেদ খাঁন।

নিম্নে রাশেদ খাঁনের ফেসবুক পোস্টটি কালবেলার পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

আওয়ামী লীগের ফেসবুক পেজ আর জামায়াতে ইসলামীর ফেসবুক পেজের দিকে তাকালে দেখি বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে একই রকম বক্তব্য। ছাত্রলীগ আর শিবিরেরও তাই। আর এ জন্যই বলি, আওয়ামী লীগের আর রাজনীতির প্রয়োজন নেই। সব জামায়াত এখন আওয়ামী লীগ হয়ে গেছে! থুক্কু! আওয়ামী লীগের চরিত্রে জামায়াত ফিরে এসেছে। বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর নাম 'আওয়ামী জামায়াত লীগ' হিসেবেও ডাকা যায়। সে জন্য আওয়ামী লীগের আর কোনো প্রাসঙ্গিকতা আছে বলে মনে করি না। বরং দারুণভাবে এই জায়গাটা জামায়াতে ইসলামী দখল করেছে। সুতরাং এখন আর শুধুমাত্র আওয়ামী লীগ নিয়ে বেশি হৈচৈ করে লাভ নাই।

সম্মিলিত প্রতিরোধে নামতে হবে আওয়ামী জামায়াত লীগের বিরুদ্ধে। অন্যরায় এদের আমিরের হুমকি শোনেন নাই? আরেকটি অনিবার্য গণঅভ্যুত্থান হতে যাচ্ছে, ১৯৯৬ মত প্রস্তুতি নিতে বলেছেন। 

৯৬-তে আওয়ামী লীগ ও জামায়াত এক সাথে বিএনপির বিরুদ্ধে নেমেছিল। হয়তো ইতোমধ্যে আলোচনা ফাইনাল করে ফেলেছে। নইলে এতো হুমকি দেওয়ার তো কথা নয়। খুব শীঘ্রই আওয়ামী জামায়াত লীগ বিএনপির বিরুদ্ধে রাজপথে নামতে যাচ্ছে। বাংলাদেশপন্থি সকল জনগণ গোষ্ঠীকে এবিষয়ে সতর্ক থাকার বিকল্প নাই। বাংলাদেশের থ্রেট শুধু আওয়ামী লীগ নয় বরং সবচেয়ে বেশি থ্রেট আওয়ামী জামায়াত লীগ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow