জামিন পেলেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর

রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীর জামিন পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) শুনানি শেষে ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. আলমগীর এ আদেশ দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী তাসলিমা জাহান পপি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। শুনানিতে আসামিপক্ষ জানায়, আনিস আলমগীর সম্পূর্ণ নির্দোষ, আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক। মামলার ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। ষড়যন্ত্র ও হয়রানির উদ্দেশ্যেই তাকে এ মামলায় জড়ানো হয়েছে। যদিও এজাহারে তার নাম রয়েছে, তবে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী বা সদস্যও নন। আরও বলা হয়, আনিস আলমগীর একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক, বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষক। এজাহারে উল্লিখিত ধারাগুলোর কোনোটিই তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। সে কারণে তিনি জামিন পাওয়ার যোগ্য। এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্সের সংগঠক আরিয়ান আহমেদ বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলাটি দায়ের করেন। এতে সাংবাদিক আনিস আলমগীর ও মেহের আফরোজ শাওনকে আসামি করা হয়। মামলায় ১৫ ডিসেম্বর আদালত আনিস আলমগীরের পাঁচ দিনের রিমান্

জামিন পেলেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর

রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীর জামিন পেয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) শুনানি শেষে ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. আলমগীর এ আদেশ দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী তাসলিমা জাহান পপি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

শুনানিতে আসামিপক্ষ জানায়, আনিস আলমগীর সম্পূর্ণ নির্দোষ, আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক। মামলার ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। ষড়যন্ত্র ও হয়রানির উদ্দেশ্যেই তাকে এ মামলায় জড়ানো হয়েছে। যদিও এজাহারে তার নাম রয়েছে, তবে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী বা সদস্যও নন।

আরও বলা হয়, আনিস আলমগীর একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক, বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষক। এজাহারে উল্লিখিত ধারাগুলোর কোনোটিই তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। সে কারণে তিনি জামিন পাওয়ার যোগ্য।

এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্সের সংগঠক আরিয়ান আহমেদ বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলাটি দায়ের করেন। এতে সাংবাদিক আনিস আলমগীর ও মেহের আফরোজ শাওনকে আসামি করা হয়। মামলায় ১৫ ডিসেম্বর আদালত আনিস আলমগীরের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে ২০ ডিসেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাবন্দি ছিলেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow