জামিনে মুক্তির পর কারাফটকে যুবলীগ নেতা ফের গ্রেপ্তার
আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পরপরই ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগারের ফটক থেকে নতুন একটি মামলায় ফের গ্রেপ্তার হয়েছেন মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রাসেল পাঠান। বিস্ফোরক আইনে দায়ের হওয়া একটি নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে পুনরায় কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর যশোরের বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালানোর সময় ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে আটক হন রাসেল পাঠান। পরে তাকে ময়মনসিংহের কোতোয়ালি মডেল থানায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ও বিস্ফোরক আইনের একাধিক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। রাসেল পাঠান ময়মনসিংহ নগরের সানকিপাড়া শেষ মোড় এলাকার আব্দুর রাজ্জাক পাঠানের ছেলে। পরিবারের দাবি, গ্রেপ্তারের পর রাসেল পাঠানকে মোট আটটি মামলায় আসামি করা হয়। বিভিন্ন মামলায় জামিন পাওয়ার পরও তাকে চারবার ‘শ্যোন অ্যারেস্ট’ (কারাগারে থাকা অবস্থায় নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো) করা হয়েছে। এ ঘটনায় রাসেল পাঠানের স্ত্রী রাবেয়া আক্তার উচ্চ আদালতে একটি রিট আবেদন করেন। গত ৬ জুলাই বিচারপতি রাজিক-আল জলিল ও বিচারপতি দেবাশী
আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পরপরই ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগারের ফটক থেকে নতুন একটি মামলায় ফের গ্রেপ্তার হয়েছেন মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রাসেল পাঠান।
বিস্ফোরক আইনে দায়ের হওয়া একটি নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে পুনরায় কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর যশোরের বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালানোর সময় ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে আটক হন রাসেল পাঠান। পরে তাকে ময়মনসিংহের কোতোয়ালি মডেল থানায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ও বিস্ফোরক আইনের একাধিক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
রাসেল পাঠান ময়মনসিংহ নগরের সানকিপাড়া শেষ মোড় এলাকার আব্দুর রাজ্জাক পাঠানের ছেলে।
পরিবারের দাবি, গ্রেপ্তারের পর রাসেল পাঠানকে মোট আটটি মামলায় আসামি করা হয়। বিভিন্ন মামলায় জামিন পাওয়ার পরও তাকে চারবার ‘শ্যোন অ্যারেস্ট’ (কারাগারে থাকা অবস্থায় নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো) করা হয়েছে।
এ ঘটনায় রাসেল পাঠানের স্ত্রী রাবেয়া আক্তার উচ্চ আদালতে একটি রিট আবেদন করেন। গত ৬ জুলাই বিচারপতি রাজিক-আল জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রিটের শুনানি শেষে আগামী ৪ আগস্টের মধ্যে রুলের জবাব দিতে নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দেন, রাসেলের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো মামলা না থাকলে তাকে নতুন করে ‘শ্যোন অ্যারেস্ট’ বা গ্রেপ্তার না করতে এবং হয়রানিমূলক পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকতে। ওই রিটে স্বরাষ্ট্র সচিবসহ ১২ জনকে বিবাদী করা হয়।
পরিবারের অভিযোগ, আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর রোববার কারাগার থেকে বের হওয়ার সময় ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগারের ফটক থেকে পুলিশ তাকে পুনরায় আটক করে।
এদিকে রোববার রাতে নগরের কাশর বউবাজার এলাকার বাসিন্দা অরুন মিয়ার ছেলে মো. রাকিব (২৪) বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় বিস্ফোরক আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয় রাসেল পাঠানকে। এ ছাড়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এহতেশামুল আলম, মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক নওশেল আহমেদসহ আটজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট দুপুর আড়াইটার দিকে নগরের বাতিরকল মোড়ে বাদী ও বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা দলীয় কার্যালয়ের দিকে যাওয়ার পথে হামলার শিকার হন। আসামিরা আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরক ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের গতিরোধ করে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর দীর্ঘ সময় পুলিশের নিয়মিত কার্যক্রম ব্যাহত থাকায় এবং পরিবার ও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে পরামর্শের কারণে মামলা দায়ের করতে বিলম্ব হয়েছে।
ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শিবিরুল ইসলাম বলেন, ৩ আগস্টের ঘটনায় একজন পাবলিক বাদী হয়ে বিস্ফোরক আইনে মামলা করেছেন। ওই মামলায় রাসেল পাঠানকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে সোমবার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
What's Your Reaction?