জারুলের বেগুনি আভায় মোহময় শাবিপ্রবি
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এখন যেন বেগুনি রঙের এক স্বপ্নভূমি। ক্যাম্পাসজুড়ে ফুটেছে জারুল ফুল। জারুলের বেগুনি ছোঁয়ায় মোহময় হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক, অ্যাকাডেমিক ভবনের পাশ ও আবাসিক হলগুলোর পাশে গাছগুলোতে থোকা থোকা বেগুনি ফুল দৃষ্টিনন্দন পরিবেশ তৈরি করেছে। ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতেই চোখে পড়ে ফুলে ঢেকে থাকা জারুলগাছ। হালকা বাতাসে দুলতে থাকা বেগুনি পাপড়ি আর রোদ ঝলমলে আকাশ অন্যরকম আবহ তৈরি করেছে। শিক্ষার্থীরা ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করছেন। কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছেন, কেউবা স্মৃতি ধরে রাখতে ছবি তুলছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে জারুলের এই সময়টি বিশেষ আনন্দের। অনেকেই বলছেন, ব্যস্ত অ্যাকাডেমিক জীবনের মাঝে এমন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য কিছুটা প্রশান্তি এনে দেয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শাবিপ্রবির জারুল ফুলের ছবি ছড়িয়ে পড়ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী শেখ ফরিদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ ও প্রাকৃতিক পরিবেশ দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে আসছে। পাহাড়ঘেরা ক্যাম্পাস, লেক আর গাছপালার সমন্বয়ে ত
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এখন যেন বেগুনি রঙের এক স্বপ্নভূমি। ক্যাম্পাসজুড়ে ফুটেছে জারুল ফুল। জারুলের বেগুনি ছোঁয়ায় মোহময় হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক, অ্যাকাডেমিক ভবনের পাশ ও আবাসিক হলগুলোর পাশে গাছগুলোতে থোকা থোকা বেগুনি ফুল দৃষ্টিনন্দন পরিবেশ তৈরি করেছে।
ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতেই চোখে পড়ে ফুলে ঢেকে থাকা জারুলগাছ। হালকা বাতাসে দুলতে থাকা বেগুনি পাপড়ি আর রোদ ঝলমলে আকাশ অন্যরকম আবহ তৈরি করেছে। শিক্ষার্থীরা ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করছেন। কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছেন, কেউবা স্মৃতি ধরে রাখতে ছবি তুলছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে জারুলের এই সময়টি বিশেষ আনন্দের। অনেকেই বলছেন, ব্যস্ত অ্যাকাডেমিক জীবনের মাঝে এমন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য কিছুটা প্রশান্তি এনে দেয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শাবিপ্রবির জারুল ফুলের ছবি ছড়িয়ে পড়ছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী শেখ ফরিদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ ও প্রাকৃতিক পরিবেশ দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে আসছে। পাহাড়ঘেরা ক্যাম্পাস, লেক আর গাছপালার সমন্বয়ে তৈরি এই পরিবেশে জারুল ফুল যেন নতুন সৌন্দর্যের বার্তা নিয়ে এসেছে। প্রতিবছরই জারুল ফোটে, তবে এবার যেন আরও বেশি সুন্দর লাগছে।
সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী রাতুল পাল বলেন, ‘ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য সবসময়ই আলাদা, কিন্তু জারুল ফুল ফুটলে সেটা অন্য মাত্রা পায়। জারুলসহ দেশীয় প্রজাতির গাছ ক্যাম্পাসকে শুধু সুন্দর করে না, জীববৈচিত্র্য রক্ষায়ও ভূমিকা রাখে। এই গাছগুলো টিকিয়ে রাখা এবং আরও বাড়ানো দরকার।’
উল্লেখ্য, জারুল সাধারণত গ্রীষ্মকালে ফোটে। এর বৈজ্ঞানিক নাম Lagerstroemia speciosa। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে এই গাছ দেখা যায়। প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে জারুলের বেগুনি আভা বরাবরই আকর্ষণের কেন্দ্র।
What's Your Reaction?