জার্মানিকে হারানোয় শুক্রবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা ইকুয়েডরে

২০২৬ বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করে দেশের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা সাফল্য অর্জন করেছে ইকুয়েডর। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে জার্মানিকে ২-১ গোলে হারানোর পর পুরো দেশে শুরু হয় উৎসবের আমেজ। এই ঐতিহাসিক জয়ের পর প্রেসিডেন্ট শুক্রবারকে জাতীয় ছুটি ঘোষণা করেন এবং কঠিন সময় পেরিয়ে আসা দলের প্রশংসা করেন। নিউইয়র্কের নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার জার্মানির বিপক্ষে চমকপ্রদ জয়ের পর প্রেসিডেন্ট নোবোয়া খেলোয়াড়দের পাশাপাশি প্রধান কোচকেও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, কঠিন এক অভিযানে দলকে সফলভাবে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য কোচ এবং পুরো দলই প্রশংসার দাবিদার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় নোবোয়া লেখেন, ‘খেলোয়াড় ও কোচকে ধন্যবাদ। সমালোচনা, অপমান এবং কঠিন সময়ের মধ্য দিয়েও তারা ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং পুরো দেশকে এই অসাধারণ আনন্দ উপহার দিয়েছে। আগামীকাল সাধারণ ছুটি! ইকুয়েডর দীর্ঘজীবী হোক।’ এই জয় ছিল ইকুয়েডরের জন্য দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের গল্প। গ্রুপ ‘ই’-এর শেষ ম্যাচের আগে তারা আইভরি কোস্টের-এর কাছে ১-০ গোলে হেরেছিল এবং কুরাসাওর সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছিল। ফলে শেষ ম্যাচে আগে থেকেই নকআউট নিশ্চিত করা জার্ম

জার্মানিকে হারানোয় শুক্রবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা ইকুয়েডরে

২০২৬ বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করে দেশের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা সাফল্য অর্জন করেছে ইকুয়েডর। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে জার্মানিকে ২-১ গোলে হারানোর পর পুরো দেশে শুরু হয় উৎসবের আমেজ। এই ঐতিহাসিক জয়ের পর প্রেসিডেন্ট শুক্রবারকে জাতীয় ছুটি ঘোষণা করেন এবং কঠিন সময় পেরিয়ে আসা দলের প্রশংসা করেন।

নিউইয়র্কের নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার জার্মানির বিপক্ষে চমকপ্রদ জয়ের পর প্রেসিডেন্ট নোবোয়া খেলোয়াড়দের পাশাপাশি প্রধান কোচকেও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, কঠিন এক অভিযানে দলকে সফলভাবে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য কোচ এবং পুরো দলই প্রশংসার দাবিদার।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় নোবোয়া লেখেন, ‘খেলোয়াড় ও কোচকে ধন্যবাদ। সমালোচনা, অপমান এবং কঠিন সময়ের মধ্য দিয়েও তারা ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং পুরো দেশকে এই অসাধারণ আনন্দ উপহার দিয়েছে। আগামীকাল সাধারণ ছুটি! ইকুয়েডর দীর্ঘজীবী হোক।’

এই জয় ছিল ইকুয়েডরের জন্য দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের গল্প। গ্রুপ ‘ই’-এর শেষ ম্যাচের আগে তারা আইভরি কোস্টের-এর কাছে ১-০ গোলে হেরেছিল এবং কুরাসাওর সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছিল। ফলে শেষ ম্যাচে আগে থেকেই নকআউট নিশ্চিত করা জার্মানির বিপক্ষে ইকুয়েডরকে অনেকেই আন্ডারডগ হিসেবে দেখছিলেন।

তবে সব পূর্বাভাস ভুল প্রমাণ করে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ২-১ গোলের ঐতিহাসিক জয় তুলে নেয় ইকুয়েডর। এই জয়ের মাধ্যমে তারা শুধু শেষ ষোলো নিশ্চিত করেনি, বরং দেশের ফুটবল ইতিহাসে স্মরণীয় এক অধ্যায়ও রচনা করেছে।

আরআর/এমএমআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow