জালিয়াতির মাধ্যমে ভর্তি হয়ে ১০ মাস ক্লাস-পরীক্ষা, তদন্তে কমিটি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইংরেজি বিভাগে জালিয়াতির মাধ্যমে এক শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার অভিযোগে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক সই করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। অফিস আদেশে বলা হয়, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ইংরেজি বিভাগের প্রথম বর্ষে শামীমা আক্তার নামের এক শিক্ষার্থীর প্রতারণামূলক ভর্তি সংক্রান্ত সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক (বর্তমানে মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য) ড. মোহা. তোজাম্মেল হোসেনকে। সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা শাখার উপ-রেজিস্ট্রার মো. বদিউজ্জামান। কমিটির সদস্য সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন। আরও পড়ুন বিএনপি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে সেফ এক্সিট দিতে চায়: আখতার তদন্ত কমিটির

জালিয়াতির মাধ্যমে ভর্তি হয়ে ১০ মাস ক্লাস-পরীক্ষা, তদন্তে কমিটি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইংরেজি বিভাগে জালিয়াতির মাধ্যমে এক শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার অভিযোগে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক সই করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ইংরেজি বিভাগের প্রথম বর্ষে শামীমা আক্তার নামের এক শিক্ষার্থীর প্রতারণামূলক ভর্তি সংক্রান্ত সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক (বর্তমানে মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য) ড. মোহা. তোজাম্মেল হোসেনকে। সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা শাখার উপ-রেজিস্ট্রার মো. বদিউজ্জামান। কমিটির সদস্য সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন।

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক তোজাম্মেল হোসেন বলেন, ‌‘বিষয়টি অবগত হয়েছি। ব্যস্ততা থাকায় আগামী সপ্তাহ থেকে বিষয়টি দেখবো। আমার জায়গা থেকে যথাযথ তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার চেষ্টা করবো।’

বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ইংরেজি বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ২৪১০১০৪ রোলধারী শিক্ষার্থী শামীমা আক্তার জালিয়াতির মাধ্যমে ভর্তি হয়ে এক সেমিস্টার (১০ মাস) নিয়মিত ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশ নেন। পরে জালিয়াতির বিষয়টি নজরে এলে গত ১১ জুলাই বিভাগীয় পরীক্ষা কমিটি বৈঠক করে। পরে বিভাগীয় জরুরি সভায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর ভর্তি-সংক্রান্ত কোনো নথি বিভাগ কিংবা একাডেমিক শাখায় পাওয়া না যাওয়ায় তার পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দাপ্তরিক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আরও সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট দুই কর্মকর্তা হলেন ইসরাত জাহান (সুইটি) ও মুরাদ হোসেন।

ইরফান উল্লাহ/এসআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow