জিয়া উদ্যান এলাকায় কড়া নিরাপত্তা, ভেতরে চলছে কুরআন তেলাওয়াত
খালেদা জিয়াকে দাফনের দ্বিতীয় দিনেও সমাধি এলাকায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। জিয়া উদ্যানের মূল এলাকায় কাউকেই প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। ভেতরে পবিত্র কুরআনের খতম পাঠ করছেন বেশ কয়েকজন হাফেজ। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর জিয়া উদ্যানের মূল ফটকের সামনে (বেইলি ব্রিজ) এমন দৃশ্য দেখা যায়। সংসদ ভবনের বিপরীতে শহীদ জিয়ার মাজারের মূল ফটকের সামনে ও ভেতরে পুলিশ, র্যাব, সেনাবাহিনীসহ বেশকিছু বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। দুপুর পৌনে ১২টা পর্যন্ত মাজারের ভেতরে বিএনপির সিনিয়র নেতা ছাড়া কাউকেই প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বেশ কয়েকজন হাফেজ সমাধিতে প্রবেশ করেন। তারা সেখানে পবিত্র কুরআন খতম করবেন বলে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্টরা। মাজারের মূল ফটক ছাড়াও পুরো এলাকায়ই কড়া নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে। এর আগে বেলা ১১টা পর্যন্ত সমাধির সামনের সড়ক পুরোটাই বন্ধ করে বিজয় সরণি ও মীর মুগ্ধ চত্বর পর্যন্ত বেরিকেড দিয়ে রাখা হয়। পরে বেরিকেড খুলে দেওয়া হয়। প্রায় ৮০ বছর বয়সী তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন হৃদরোগ ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস,
খালেদা জিয়াকে দাফনের দ্বিতীয় দিনেও সমাধি এলাকায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। জিয়া উদ্যানের মূল এলাকায় কাউকেই প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। ভেতরে পবিত্র কুরআনের খতম পাঠ করছেন বেশ কয়েকজন হাফেজ।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর জিয়া উদ্যানের মূল ফটকের সামনে (বেইলি ব্রিজ) এমন দৃশ্য দেখা যায়।
সংসদ ভবনের বিপরীতে শহীদ জিয়ার মাজারের মূল ফটকের সামনে ও ভেতরে পুলিশ, র্যাব, সেনাবাহিনীসহ বেশকিছু বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। দুপুর পৌনে ১২টা পর্যন্ত মাজারের ভেতরে বিএনপির সিনিয়র নেতা ছাড়া কাউকেই প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বেশ কয়েকজন হাফেজ সমাধিতে প্রবেশ করেন। তারা সেখানে পবিত্র কুরআন খতম করবেন বলে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্টরা। মাজারের মূল ফটক ছাড়াও পুরো এলাকায়ই কড়া নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে।
এর আগে বেলা ১১টা পর্যন্ত সমাধির সামনের সড়ক পুরোটাই বন্ধ করে বিজয় সরণি ও মীর মুগ্ধ চত্বর পর্যন্ত বেরিকেড দিয়ে রাখা হয়। পরে বেরিকেড খুলে দেওয়া হয়।
প্রায় ৮০ বছর বয়সী তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন হৃদরোগ ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস, কিডনির জটিলতাসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। গত ২৩ নভেম্বর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এমএইচএ/এমআরএম/এমএস
What's Your Reaction?