জিয়াউর রহমানের খনন করা খাল সচল করলেন জিন্নাহ
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজ হাতে খনন করা শুকিয়ে যাওয়া কাশাদহ খালটিতে পানি দিয়ে সচল করলেন মানিকগঞ্জের-১ আসনের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবির। এতে প্রায় ২ হাজার কৃষক পরিবার ইরি-বোরো ধান চাষের জন্য উপকৃত হবেন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের দিকে শিবালয় উপজেলার ছোট আনলিয়া গ্রামের যমুনা নদীর পাড়ে কাশাদহ খালটিতে পানি সচলের উদ্ধোধন করা হয়। কৃষক ইমান আলী জানান, ১৯৭৯ সালের ১ ডিসেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজ হাতে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে এ খালটি উদ্বোধন করেছিলেন। আজ চার দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও কৃষকের কাছে আজও এ খালটি বহন করছে একটি স্বপ্নের স্মৃতির মতো। কৃষকেরা এ খালের পানি দিয়ে প্রতিবছর তাদের ইরি বোর ধান রোপণ করেন। খালটিতে পানি থাকলে সেচের খরচ কমে যায় অর্ধেকে এবং ফলনও ভালো হয়। খালটিতে যমুনা নদী থেকে পাম্পের মাধ্যমে সরাসরি পানি তুলে সরবরাহ করা হচ্ছে। আর এ খালের পানিতে উপকৃত হবে শিবালয় উপজেলার প্রায় ১৫টি গ্রামের ২ হাজার কৃষক। প্রায় ১২ বিঘা ৩৯৬ একর জমিতে এ খালের পানি দিয়ে ইরি-বোরো ধান রোপণ করবেন কৃষকেরা। তবে আরিচা যমুনা নদীর তীরে প্রকল্পের পানির হাউজের পশ্চিম পাশে বি
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজ হাতে খনন করা শুকিয়ে যাওয়া কাশাদহ খালটিতে পানি দিয়ে সচল করলেন মানিকগঞ্জের-১ আসনের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবির। এতে প্রায় ২ হাজার কৃষক পরিবার ইরি-বোরো ধান চাষের জন্য উপকৃত হবেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের দিকে শিবালয় উপজেলার ছোট আনলিয়া গ্রামের যমুনা নদীর পাড়ে কাশাদহ খালটিতে পানি সচলের উদ্ধোধন করা হয়।
কৃষক ইমান আলী জানান, ১৯৭৯ সালের ১ ডিসেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজ হাতে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে এ খালটি উদ্বোধন করেছিলেন। আজ চার দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও কৃষকের কাছে আজও এ খালটি বহন করছে একটি স্বপ্নের স্মৃতির মতো। কৃষকেরা এ খালের পানি দিয়ে প্রতিবছর তাদের ইরি বোর ধান রোপণ করেন। খালটিতে পানি থাকলে সেচের খরচ কমে যায় অর্ধেকে এবং ফলনও ভালো হয়।
খালটিতে যমুনা নদী থেকে পাম্পের মাধ্যমে সরাসরি পানি তুলে সরবরাহ করা হচ্ছে। আর এ খালের পানিতে উপকৃত হবে শিবালয় উপজেলার প্রায় ১৫টি গ্রামের ২ হাজার কৃষক। প্রায় ১২ বিঘা ৩৯৬ একর জমিতে এ খালের পানি দিয়ে ইরি-বোরো ধান রোপণ করবেন কৃষকেরা।
তবে আরিচা যমুনা নদীর তীরে প্রকল্পের পানির হাউজের পশ্চিম পাশে বিশাল চর জেগে উঠায় খালটিতে পানির প্রবাহ ব্যাহত হতে পারে। এমনটাই আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা। সেজন্য নদীতে ডেজারের মাধ্যমে খনন করে পানিপ্রবাহ ধরে রাখার জন্য দাবি জানান কৃষকেরা।
জানা গেছে, খাল খননের প্রথম বছরেই ১৫০০ একর জমিতে ইরি-বোরো আবাদ হয়েছিল। দীর্ঘদিনে খালের বিভিন্ন অংশ পলি পড়ে ভরাট হয়েছে, কমেছে পানি ধারণক্ষমতা। ২০০৪ সালের ৯ আগস্ট কাশাদহ পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেডের আওতায় প্রকল্পটি অন্তর্ভুক্ত হয়। প্রায় ২১ কোটি টাকা ব্যয়ে খাল পুনঃখনন, পাকা ড্রেন, স্লুইস গেইট ও পানির হাউজ নির্মাণ করা হয়। তবু নদীতে চর পড়ায় আবারও সংকটে পড়েছে পানির উৎস।
মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবির বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কৃষকদের ভাগ্যের পরিবর্তন ও আধুনিক চাষাবাদের জন্য খাল খনন করেছিলেন। আমরা তার স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য এবং কৃষকেরা যাতে স্বল্পখরচে ফসল ফলাতে পারে, সে জন্যই খালটিকে সচল করা হলো। খালটি যাতে সচল থাকে সে জন্য আমরা সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
What's Your Reaction?