জিয়াউল আহসানের বিচার বিলম্বের চেষ্টা চলছে: চিফ প্রসিকিউটর
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুম ও খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিচার বিলম্বিত করার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, আসামিপক্ষ প্রায় প্রতিটি শুনানির দিনই বিভিন্ন আবেদন ও অজুহাতের মাধ্যমে সময়ক্ষেপণের চেষ্টা করছে, যা বিচারপ্রক্রিয়ার জন্য ইতিবাচক নয়। সোমবার (২২ জুন) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আমিনুল ইসলাম বলেন, জিয়াউল আহসানের মামলায় প্রসিকিউশন বিভিন্ন প্রতিকূলতার মুখোমুখি হচ্ছে। তার দাবি, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা প্রতিটি তারিখেই নতুন নতুন কারণ দেখিয়ে শুনানি পেছানোর আবেদন করছেন। আরও পড়ুন জিয়াউলের বডিগার্ড / ‘স্যার ৮-১০ জন বিডিআর সদস্যকে হত্যা করেন’ চিফ প্রসিকিউটর জানান, জিয়াউল আহসানের পক্ষে আইনজীবী হিসেবে রয়েছেন তার বোন নাজনীন নাহার। তিনি কখনও আইনজীবীর অসুস্থতা বা মৃত্যুর কারণ দেখিয়ে, আবার কখনও বিভিন্ন নথি চেয়ে আবেদন করছেন। প্রসিকিউশনের মতে, এসব আবেদন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচার বিলম্বিত করার কৌশলের অংশ। আমিনুল ইসলাম বলেন, তারা ট্রাইব্যুনালে এসে শুধু সময় চাইতে থাকে
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুম ও খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিচার বিলম্বিত করার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
তিনি বলেন, আসামিপক্ষ প্রায় প্রতিটি শুনানির দিনই বিভিন্ন আবেদন ও অজুহাতের মাধ্যমে সময়ক্ষেপণের চেষ্টা করছে, যা বিচারপ্রক্রিয়ার জন্য ইতিবাচক নয়।
সোমবার (২২ জুন) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আমিনুল ইসলাম বলেন, জিয়াউল আহসানের মামলায় প্রসিকিউশন বিভিন্ন প্রতিকূলতার মুখোমুখি হচ্ছে। তার দাবি, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা প্রতিটি তারিখেই নতুন নতুন কারণ দেখিয়ে শুনানি পেছানোর আবেদন করছেন।
চিফ প্রসিকিউটর জানান, জিয়াউল আহসানের পক্ষে আইনজীবী হিসেবে রয়েছেন তার বোন নাজনীন নাহার। তিনি কখনও আইনজীবীর অসুস্থতা বা মৃত্যুর কারণ দেখিয়ে, আবার কখনও বিভিন্ন নথি চেয়ে আবেদন করছেন। প্রসিকিউশনের মতে, এসব আবেদন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচার বিলম্বিত করার কৌশলের অংশ।
আমিনুল ইসলাম বলেন, তারা ট্রাইব্যুনালে এসে শুধু সময় চাইতে থাকেন। আগামী শুনানি থেকে জিয়াউল আহসান বা তার আইনজীবীরা যদি অসৎ উদ্দেশ্যে আবেদন করে বিচারপ্রক্রিয়া বিলম্বিত করার চেষ্টা করেন, তাহলে প্রসিকিউশন আরও কঠোরভাবে এর বিরোধিতা করবে।
তিনি জানান, মামলাটিতে ২১ জুন একজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী জবানবন্দি দিয়েছেন এবং সোমবার তার জেরা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শুনানির আগে জিয়াউল আহসানের পক্ষে আইনজীবী নাজনীন নাহার তিন থেকে চারটি আবেদন করেন।
আমিনুল ইসলাম বলেন, আবেদনগুলোর মধ্যে কেবল আসামির সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতির আবেদনটির বিরোধিতা করা হয়নি, কারণ এটি একজন আইনজীবীর অধিকার। ট্রাইব্যুনালও ওই আবেদন মঞ্জুর করেছে।
তবে বাকি আবেদনগুলোকে তিনি সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক বলে মন্তব্য করেন।
এফএইচ/এসএইচএস
What's Your Reaction?
