জীবনানন্দের ‘মাল্যবান’ থেকে মঞ্চে ‘সম্‌+সার’

কবি জীবনানন্দ দাশের প্রথম উপন্যাস ‘মাল্যবান’ অবলম্বনে নতুন নাটক ‘সম্‌+সার’ মঞ্চে আনছে থিয়েটার দল শূন্য। নাটকটির পাণ্ডুলিপি সম্পাদনা, প্রয়োগ ভাবনা ও নির্দেশনা দিয়েছেন খন্দকার রাকিবুল হক। রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটার হলে ১৬ জুলাই সন্ধ্যা ৭টায় হবে নাটকটির উদ্বোধনী প্রদর্শনী। এরপর ১৭ জুলাই একই ভেন্যুতে বিকেল ৫টা এবং সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রদর্শনী। জীবনানন্দ দাশের মৃত্যুর পর ১৯৭০ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় ‘মাল্যবান’। উপন্যাসটিতে মাল্যবান ও তার স্ত্রী উৎপলার জটিল, বিষণ্ন ও টানাপোড়েনপূর্ণ দাম্পত্যজীবনের মনস্তাত্ত্বিক দিক তুলে ধরা হয়েছে। সাহিত্য সমালোচকদের একাংশের মতে, এতে লেখকের ব্যক্তিজীবন ও তার স্ত্রী লাবণ্য দাশের সঙ্গে সম্পর্কের প্রতিফলনও খুঁজে পাওয়া যায়। তবে নির্দেশক খন্দকার রাকিবুল হক জানান, তাদের প্রযোজনায় উপন্যাসটিকে আত্মজৈবনিক ব্যাখ্যার বাইরে গিয়ে জীবনানন্দের একটি সাহিত্যসৃষ্টি হিসেবেই উপস্থাপন করা হয়েছে। তার ভাষায়, উপন্যাসে গল্পটি মূলত মাল্যবানের দৃষ্টিকোণ থেকে এগোলেও নাটকে স্বামী ও স্ত্রী—উভয় চরিত্রের অবস্থান ও অনুভূতিকে সমান গুর

জীবনানন্দের ‘মাল্যবান’ থেকে মঞ্চে ‘সম্‌+সার’

কবি জীবনানন্দ দাশের প্রথম উপন্যাস ‘মাল্যবান’ অবলম্বনে নতুন নাটক ‘সম্‌+সার’ মঞ্চে আনছে থিয়েটার দল শূন্য। নাটকটির পাণ্ডুলিপি সম্পাদনা, প্রয়োগ ভাবনা ও নির্দেশনা দিয়েছেন খন্দকার রাকিবুল হক। রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটার হলে ১৬ জুলাই সন্ধ্যা ৭টায় হবে নাটকটির উদ্বোধনী প্রদর্শনী। এরপর ১৭ জুলাই একই ভেন্যুতে বিকেল ৫টা এবং সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রদর্শনী।

জীবনানন্দ দাশের মৃত্যুর পর ১৯৭০ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় ‘মাল্যবান’। উপন্যাসটিতে মাল্যবান ও তার স্ত্রী উৎপলার জটিল, বিষণ্ন ও টানাপোড়েনপূর্ণ দাম্পত্যজীবনের মনস্তাত্ত্বিক দিক তুলে ধরা হয়েছে। সাহিত্য সমালোচকদের একাংশের মতে, এতে লেখকের ব্যক্তিজীবন ও তার স্ত্রী লাবণ্য দাশের সঙ্গে সম্পর্কের প্রতিফলনও খুঁজে পাওয়া যায়।

তবে নির্দেশক খন্দকার রাকিবুল হক জানান, তাদের প্রযোজনায় উপন্যাসটিকে আত্মজৈবনিক ব্যাখ্যার বাইরে গিয়ে জীবনানন্দের একটি সাহিত্যসৃষ্টি হিসেবেই উপস্থাপন করা হয়েছে। তার ভাষায়, উপন্যাসে গল্পটি মূলত মাল্যবানের দৃষ্টিকোণ থেকে এগোলেও নাটকে স্বামী ও স্ত্রী—উভয় চরিত্রের অবস্থান ও অনুভূতিকে সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘এই প্রযোজনার উদ্দেশ্য নারী-পুরুষের সম্পর্কের দার্শনিক ও মানবিক দিক নিয়ে দর্শকের মনে নতুন প্রশ্নের জন্ম দেওয়া। একই সঙ্গে আত্মউপলব্ধি, দায়বোধ ও সম্পর্কের জটিল বাস্তবতাকেও মঞ্চে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।’

নাটকে মাল্যবান চরিত্রে অভিনয় করছেন শাহজাদা সম্রাট চৌধুরী এবং উৎপলা চরিত্রে যাজ্ঞোসীনি মৌ। মঞ্চ পরিকল্পনায় রয়েছেন ফজলে রাব্বি সুকর্নো, আলোক পরিকল্পনা ও প্রক্ষেপণে অম্লান বিশ্বাস। পোশাক পরিকল্পনা করেছেন রুবাইয়া জাবীন প্রিয়তা ও যাজ্ঞোসীনি মৌ। প্রযোজনা ব্যবস্থাপনায় আছেন রুবাইয়া জাবীন প্রিয়তা এবং নির্দেশকের সহকারী হিসেবে কাজ করছেন মারজান রাইসা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow