জুরাইনে কালোবাজারি চক্রের গুদামে মিললো ওএমএসের ২২০০ বস্তা চাল-আটা

সরকারি ওএমএসের চাল ও আটার প্যাকেট পরিবর্তন করে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামে বাজারজাত করছিল একটি অসাধু চক্র। রাজধানীর জুরাইন বাজার এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ কালোবাজারি ওএমএসের চাল ও আটা জব্দ করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) র‍্যাব-৪ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) কে এন রায় নিয়তি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে শ্যামপুর থানা এলাকায় অভিযান চালায় র‌্যাব-৪ ও র‌্যাব-১০ এর যৌথ আভিযানিক দল। এ সময় একটি গুদাম থেকে অবৈধভাবে মজুত করা ১৭০৫ বস্তা ওএমএস চাল এবং ৫০০ বস্তা আটা জব্দ করা হয়। অভিযানে খাদ্যদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে উদ্ধার করা পণ্য খাদ্যদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, একটি সংঘবদ্ধ চক্র রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে কালোবাজারির মাধ্যমে সরকারি ওএমএসের চাল ও আটা সংগ্রহ করতো। পরে সেগুলোর প্যাকেট পরিবর্তন করে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামে বাজারজাত করা হতো। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে খাদ্যদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে আইনগত ব

জুরাইনে কালোবাজারি চক্রের গুদামে মিললো ওএমএসের ২২০০ বস্তা চাল-আটা

সরকারি ওএমএসের চাল ও আটার প্যাকেট পরিবর্তন করে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামে বাজারজাত করছিল একটি অসাধু চক্র। রাজধানীর জুরাইন বাজার এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ কালোবাজারি ওএমএসের চাল ও আটা জব্দ করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) র‍্যাব-৪ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) কে এন রায় নিয়তি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে শ্যামপুর থানা এলাকায় অভিযান চালায় র‌্যাব-৪ ও র‌্যাব-১০ এর যৌথ আভিযানিক দল। এ সময় একটি গুদাম থেকে অবৈধভাবে মজুত করা ১৭০৫ বস্তা ওএমএস চাল এবং ৫০০ বস্তা আটা জব্দ করা হয়।

অভিযানে খাদ্যদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে উদ্ধার করা পণ্য খাদ্যদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, একটি সংঘবদ্ধ চক্র রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে কালোবাজারির মাধ্যমে সরকারি ওএমএসের চাল ও আটা সংগ্রহ করতো। পরে সেগুলোর প্যাকেট পরিবর্তন করে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামে বাজারজাত করা হতো।

এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে খাদ্যদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

টিটি/এমএএইচ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow