জুলাই ও আগস্টের গ্যাস-বিদ্যুৎ বিল কিস্তিতে পরিশোধ করতে চায় বিকেএমইএ

শিল্পপ্রতিষ্ঠানে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে উৎপাদন ব্যাহত এবং বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারের কারণে বাড়তি ব্যয় হচ্ছে। ফলে তাদের জন্য জুলাই ও আগস্ট মাসের গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিল এককালীন পরিশোধ কঠিন হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় ওই দুই মাসের বিল আগামী ১২ মাসে সমান কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিকেএমইএ)। সংগঠনটির সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এ দাবি জানিয়েছেন। চিঠিতে বলা হয়, জুলাই ও আগস্ট মাসে গ্যাস ও বিদ্যুতের মারাত্মক সংকটের কারণে দেশের অধিকাংশ শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। খোলা ও ক্যাসকেড সিলিন্ডারের মাধ্যমে শিল্পকারখানায় প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় অনেক কারখানা স্বাভাবিক উৎপাদন চালাতে পারেনি। উৎপাদন অব্যাহত রাখতে কারখানা মালিকদের অতিরিক্ত নগদ অর্থ ব্যয়ে ডিজেল, এলপিজি ও অন্যান্য বিকল্প জ্বালানি সংগ্রহ করতে হয়েছে। এসব ব্যয় তাদের পূর্বনির্ধারিত উৎপাদন ব্যয়ের মধ্যে ছিল না। ফলে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো উল্লেখযোগ্য আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে জানিয়েছে বিক

জুলাই ও আগস্টের গ্যাস-বিদ্যুৎ বিল কিস্তিতে পরিশোধ করতে চায় বিকেএমইএ

শিল্পপ্রতিষ্ঠানে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে উৎপাদন ব্যাহত এবং বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারের কারণে বাড়তি ব্যয় হচ্ছে। ফলে তাদের জন্য জুলাই ও আগস্ট মাসের গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিল এককালীন পরিশোধ কঠিন হয়ে পড়েছে।

এ অবস্থায় ওই দুই মাসের বিল আগামী ১২ মাসে সমান কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিকেএমইএ)। সংগঠনটির সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এ দাবি জানিয়েছেন।

চিঠিতে বলা হয়, জুলাই ও আগস্ট মাসে গ্যাস ও বিদ্যুতের মারাত্মক সংকটের কারণে দেশের অধিকাংশ শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। খোলা ও ক্যাসকেড সিলিন্ডারের মাধ্যমে শিল্পকারখানায় প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় অনেক কারখানা স্বাভাবিক উৎপাদন চালাতে পারেনি।

উৎপাদন অব্যাহত রাখতে কারখানা মালিকদের অতিরিক্ত নগদ অর্থ ব্যয়ে ডিজেল, এলপিজি ও অন্যান্য বিকল্প জ্বালানি সংগ্রহ করতে হয়েছে। এসব ব্যয় তাদের পূর্বনির্ধারিত উৎপাদন ব্যয়ের মধ্যে ছিল না। ফলে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো উল্লেখযোগ্য আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে জানিয়েছে বিকেএমইএ।

সংগঠনটি বলছে, এ পরিস্থিতিতে জুলাই ও আগস্ট মাসের গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিল এককালীন পরিশোধ করা অধিকাংশ শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হবে। এতে রপ্তানি কার্যক্রম, কারখানার উৎপাদন এবং শ্রমিকদের কর্মসংস্থানও ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, রপ্তানি কার্যক্রম সচল রাখা, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ধারা অব্যাহত রাখা এবং শ্রমিকদের কর্মসংস্থান সুরক্ষার স্বার্থে জুলাই ও আগস্ট মাসের গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিল আগামী ১২ মাসে সমান কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন।

এজন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার জন্য বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রীর সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করেছে বিকেএমইএ।

সংগঠনটির সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম চিঠিতে আশা প্রকাশ করেন, সরকারের বিবেচনা ও সহযোগিতা দেশের রপ্তানিমুখী শিল্পের উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা এবং জাতীয় অর্থনীতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আইএইচও/একিউএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow