জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা দুপুর ১২টায়
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিতব্য জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভার সময় পরিবর্তন করা হয়েছে। পূর্বনির্ধারিত বেলা ১১টার পরিবর্তে অনুষ্ঠানটি বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুর ১২টায় শুরু হবে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, ‘জুলাই চেতনায় গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে ৫ আগস্ট সারাদেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হবে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’। দিবসের সূচনা হবে সকাল ৬টা ১ মিনিটে শাহবাগের জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে। এ সময় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সচিবসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন। এরপর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। সময় পরিবর্তনের কারণে অনুষ্ঠানটি বেলা ১১টার পরিবর্তে একই দিন দুপুর ১২টায় শুরু হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ভারপ্রা
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিতব্য জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভার সময় পরিবর্তন করা হয়েছে। পূর্বনির্ধারিত বেলা ১১টার পরিবর্তে অনুষ্ঠানটি বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুর ১২টায় শুরু হবে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, ‘জুলাই চেতনায় গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে ৫ আগস্ট সারাদেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হবে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’। দিবসের সূচনা হবে সকাল ৬টা ১ মিনিটে শাহবাগের জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে। এ সময় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সচিবসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
এরপর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। সময় পরিবর্তনের কারণে অনুষ্ঠানটি বেলা ১১টার পরিবর্তে একই দিন দুপুর ১২টায় শুরু হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন উপস্থিত থাকবেন। এছাড়া জুলাই শহীদ পরিবারের প্রতিনিধি ও জুলাই যোদ্ধাদের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেবেন।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পুনর্নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আমন্ত্রিত অতিথি, জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য, জুলাই যোদ্ধা এবং গণমাধ্যমকর্মীদের অনুষ্ঠান শুরুর অন্তত এক ঘণ্টা আগে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী জাতীয় দৈনিকগুলোতে প্রকাশ করা হবে। এছাড়া বিশেষ ক্রোড়পত্র ও স্মারক প্রকাশনা প্রকাশ, বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার ও বেসরকারি সম্প্রচারমাধ্যমে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের উদ্যোগে স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের সব মিশনেও দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হবে।
এ ছাড়া দেশের ৬৪টি জেলায় জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ, জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে। সব সিটি করপোরেশন ও পৌরসভায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানভিত্তিক আলোকচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী, ধর্মীয় উপাসনালয়ে শহীদদের স্মরণে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভা, রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। পাশাপাশি জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরসহ বিভিন্ন জাদুঘর ও সরকারি-বেসরকারি বিনোদন কেন্দ্র শিশুদের জন্য দিনব্যাপী উন্মুক্ত রাখা হবে এবং সরকারি হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশু পরিবার ও বৃদ্ধাশ্রমে বিশেষ প্রীতিভোজের আয়োজন করা হবে বলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে।
আরএমএম/এসএনআর
What's Your Reaction?