জুলাইয়ে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করলো এনসিপি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি, শহীদদের আত্মত্যাগ এবং নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়কে সামনে রেখে মাসব্যাপী ‘দেশ গড়তে জুলাই জাগরণ’ শীর্ষক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। জুলাইজুড়ে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পদযাত্রা, গণসংযোগ, শহীদদের স্মরণ, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা এবং বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের অংশগ্রহণে নানা আয়োজন করবে দলটি। সোমবার (২৯ জুন) রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে দলটির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলের দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ। দলটি জানায়, জুলাই শুধু একটি মাস নয়, বরং আত্মত্যাগ, গণআকাঙ্ক্ষা, ন্যায়বিচার এবং নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রতীক। সেই চেতনাকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতেই এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—১ জুলাই রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে কবর জিয়ারত, ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র সংগঠনগুলোর সংহতি সভা এবং উপজেলা পর্যায়ে পদযাত্রার রোডম্যাপ ঘোষণা। আরও পড়ুন ১১ দলের সমাবেশে নাহিদ / আওয়ামী লীগ ও বিএনপির বিরুদ্ধে সমানভাবে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে ২ থেকে ৮ জুলাই দেশব্যাপী গ্রাফিতি, দেয়াল লিখন

জুলাইয়ে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করলো এনসিপি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি, শহীদদের আত্মত্যাগ এবং নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়কে সামনে রেখে মাসব্যাপী ‘দেশ গড়তে জুলাই জাগরণ’ শীর্ষক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

জুলাইজুড়ে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পদযাত্রা, গণসংযোগ, শহীদদের স্মরণ, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা এবং বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের অংশগ্রহণে নানা আয়োজন করবে দলটি।

সোমবার (২৯ জুন) রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে দলটির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলের দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ।

দলটি জানায়, জুলাই শুধু একটি মাস নয়, বরং আত্মত্যাগ, গণআকাঙ্ক্ষা, ন্যায়বিচার এবং নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রতীক। সেই চেতনাকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতেই এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—১ জুলাই রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে কবর জিয়ারত, ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র সংগঠনগুলোর সংহতি সভা এবং উপজেলা পর্যায়ে পদযাত্রার রোডম্যাপ ঘোষণা।

২ থেকে ৮ জুলাই দেশব্যাপী গ্রাফিতি, দেয়াল লিখন ও ব্যানার-ফেস্টুন কর্মসূচি, ৫ থেকে ৯ জুলাই জুলাই স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট, ১৪ জুলাই নারী সমাবেশ, ১৫ জুলাই কৃষকের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তিতে জুলাই অভ্যুত্থান, ১৬ জুলাই শহীদদের কবর জিয়ারত ও দেশব্যাপী দোয়া-মোনাজাত, ১৭ জুলাই বিচার দাবিতে মিছিল, ১৮ জুলাই প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্যান্স ডে, ১৯ জুলাই উত্তরার রক্তাক্ত জুলাই স্মৃতিচারণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ২০ জুলাই ‘জুলাইয়ের যাত্রাবাড়ী: মাদরাসা শিক্ষার্থীদের ভূমিকা’ ও ২২ জুলাই ‘সাদা অ্যাপ্রনের সাহস ও জুলাইয়ের অদৃশ্য বীরেরা’ শীর্ষক প্রদর্শনী।

২৩ জুলাই ‘আহতের কণ্ঠে জুলাই অভ্যুত্থান ও যন্ত্রণার দিনলিপি’, ২৪ জুলাই যুব কনভেনশন, ২৫ জুলাই শ্রমিক সমাবেশ ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী।

২৬ জুলাই ‘সাদা পোশাকের জালিম স্মৃতিচারণ আলোচনা সভা’, ২৭ জুলাই ‘জুলাই অভ্যুত্থান উদ্যোক্তা বাংলাদেশ’, ৩০ জুলাই ‘ফিরে দেখা জুলাই’, ৩১ জুলাই ‘স্মৃতিতে জুলাইয়ের ক্যাম্পাস শিক্ষকদের ভূমিকা বিষয়ে আলোচনা।

১ আগস্ট দেশপ্রেমের ইউনিফর্ম, ২ আগস্ট ‘জুলাইয়ের দ্রোহযাত্রা’ এবং গণঅভ্যুত্থান অগ্নিস্বর ও জুলাই স্মরণিকা প্রকাশ, ৩ আগস্ট জনতার এক দফা, ৪ আগস্ট আহত ও শহীদ পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময়, ৫ আগস্ট ‘বিজয়ের উল্লাস’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।

এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য ‘জুলাই পুনর্জাগরণ বাস্তবায়ন কমিটি’ গঠন করা হয়েছে। কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে এনসিপির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহকে এবং সদস্যসচিব করা হয়েছে যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদকে। বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালনের জন্য আরও একাধিক নেতাকে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মাসব্যাপী এ কর্মসূচির মাধ্যমে সমাজের সব শ্রেণিপেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া, শহীদদের অবদান স্মরণ এবং দেশ গঠনের অঙ্গীকার আরও সুদৃঢ় করাই দলটির মূল লক্ষ্য।

এনএস/এমকেআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow