জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সবাইকে দায়িত্ব নিতে হবে: ঢাবি ভিসি
ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। শনিবার (২৫ জুলাই) জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ্যে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল মিলনায়তনে আয়োজিত ‘স্মৃতিতে জুলাই সংগ্রাম, স্বপ্ন ও প্রত্যয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আলেয়া বেগম। এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা পূরণে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে হবে।’ এসময় জুলাইয়ের চেতনা ও অর্জনকে ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। এদিকে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল ও অনুষদে নানা কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে শুক্রবার (২৪ জুলাই) বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলে দিনব্যাপী ‘শহীদদের কাছে খোলা চিঠি লিখন প্রতিযোগিত
ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
শনিবার (২৫ জুলাই) জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ্যে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল মিলনায়তনে আয়োজিত ‘স্মৃতিতে জুলাই সংগ্রাম, স্বপ্ন ও প্রত্যয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আলেয়া বেগম।
এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা পূরণে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে হবে।’
এসময় জুলাইয়ের চেতনা ও অর্জনকে ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল ও অনুষদে নানা কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে শুক্রবার (২৪ জুলাই) বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলে দিনব্যাপী ‘শহীদদের কাছে খোলা চিঠি লিখন প্রতিযোগিতা’, ‘দ্রোহের বিপ্লবের জুলাই’ শীর্ষক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, ‘ফিরে দেখা জুলাই’ কুইজ, আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণীর আয়োজন করা হয়।
সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী। হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মাহবুবা সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মো. ইসরাফিল প্রাং ও সহকারী প্রক্টর ড. মো. রবিউল ইসলাম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
হল সংসদের ভিপি রাফিয়া রেহনুমা হৃদি, জিএস নিশিতা জামান নিহা, এজিএস তানজিনা তাম্মিম হাফসা ও শারমিন আক্তার নিম্মি জুলাই আন্দোলনের স্মৃতিচারণ করেন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শিক্ষার্থী জ্যোতির্ময়ী সরকার ঊর্মি। আলোচনা শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।
অন্যদিকে, শনিবার ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ হলের উদ্যোগে জুলাই প্রতিরোধ প্রাঙ্গণে পুষ্পস্তবক অর্পণ, জুলাই প্রতিরোধের স্মারক সংরক্ষণে ফটোফ্রেম উন্মোচন, আলোচনা সভা, শিক্ষার্থীদের স্মৃতিচারণ এবং জুলাই প্রতিরোধবিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের আয়োজন করা হয়।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী। সভাপতিত্ব করেন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া।
What's Your Reaction?