জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষাকে উপেক্ষা করা জনমতের সঙ্গে প্রতারণার শামিল

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনগণের যে আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে তা উপেক্ষা করে সংবিধানের ধারা-উপধারা নিয়ে বিতর্কে জড়ানো জনমতের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মধুর ক্যান্টিনে বাংলাদেশ ছাত্রপক্ষের উদ্যোগে আয়োজিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান, সনদ, গণভোটের রায়: আইনজীবীদের অবদান ও করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তাজুল ইসলাম বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে শিশু থেকে শুরু করে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিয়েছিল। অনেকে জীবন দিয়েছেন, অনেকে আহত হয়েছেন। এই ত্যাগের মধ্য দিয়ে একটি স্বৈরশাসনের অবসান ঘটে এবং নতুন বাস্তবতা তৈরি হয়। তিনি বলেন, বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে গঠিত সরকার ছিল জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন। সেই সরকারের কাছে রাষ্ট্র সংস্কার, গুম-খুনের বিচার এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশা ছিল। তবে এসব ক্ষেত্রে প্রত্যাশা পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। সংবিধান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের ইচ্ছা ও অভিপ্রায়ই সর্বোচ্চ হওয়া উচিত। জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে যে গণআকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে, সেটিকে গুরুত্ব না

জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষাকে উপেক্ষা করা জনমতের সঙ্গে প্রতারণার শামিল

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনগণের যে আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে তা উপেক্ষা করে সংবিধানের ধারা-উপধারা নিয়ে বিতর্কে জড়ানো জনমতের সঙ্গে প্রতারণার শামিল।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মধুর ক্যান্টিনে বাংলাদেশ ছাত্রপক্ষের উদ্যোগে আয়োজিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান, সনদ, গণভোটের রায়: আইনজীবীদের অবদান ও করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তাজুল ইসলাম বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে শিশু থেকে শুরু করে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিয়েছিল। অনেকে জীবন দিয়েছেন, অনেকে আহত হয়েছেন। এই ত্যাগের মধ্য দিয়ে একটি স্বৈরশাসনের অবসান ঘটে এবং নতুন বাস্তবতা তৈরি হয়।

তিনি বলেন, বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে গঠিত সরকার ছিল জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন। সেই সরকারের কাছে রাষ্ট্র সংস্কার, গুম-খুনের বিচার এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশা ছিল। তবে এসব ক্ষেত্রে প্রত্যাশা পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি।

সংবিধান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের ইচ্ছা ও অভিপ্রায়ই সর্বোচ্চ হওয়া উচিত। জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে যে গণআকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে, সেটিকে গুরুত্ব না দিয়ে কেবল আইনি ব্যাখ্যায় সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়।

তিনি আরও বলেন, দেশে যেন আর গুম, খুন বা মতপ্রকাশের বাধা ফিরে না আসে সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ছাত্রপক্ষের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার নাসরীন সুলতানা মিলি। মানুষের রায়ই চূড়ান্ত রায়, এ কথা উল্লেখ করে মিলি বলেন, একই জনগণ যখন সরকার গঠন ও গণভোট-উভয় ক্ষেত্রেই ভোট দেয়, তখন একটিকে মেনে অন্যটিকে অস্বীকার করার সুযোগ নেই।

এফএআর/এমএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow