জে এম সেন হলে সনাতনী যুব সম্মেলনে ঐক্যের আহ্বান

চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক জে এম সেন হল মাঠে উৎসবমুখর পরিবেশে সনাতনী যুব সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকাল আয়োজিত সম্মেলনে সনাতনী সমাজের ঐক্য, ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ চর্চা, যুবসমাজের বিকাশ এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা। বক্তারা বলেন, সনাতনী সমাজের ঐক্য ও পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদারের পাশাপাশি যুবসমাজকে নেতৃত্বের জন্য প্রস্তুত করতে হবে। ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধের চর্চার মাধ্যমে সামাজিক দায়িত্ব পালনে তরুণদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তারা। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান। প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল হাশেম বক্কর। সম্মেলনের উদ্বোধন করেন পরিতোষ মহারাজ। ধর্মীয় বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন লেখক সুদর্শন চক্রবর্তী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আর কে দাশ রুপু, জাগো হিন্দু পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা মিলন কান্তি শর্ম্মা, কার্যকরী সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব দে পার্থ, প্রবর্তক শ্রীকৃষ্ণ মন্দিরের স

জে এম সেন হলে সনাতনী যুব সম্মেলনে ঐক্যের আহ্বান

চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক জে এম সেন হল মাঠে উৎসবমুখর পরিবেশে সনাতনী যুব সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকাল আয়োজিত সম্মেলনে সনাতনী সমাজের ঐক্য, ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ চর্চা, যুবসমাজের বিকাশ এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।

বক্তারা বলেন, সনাতনী সমাজের ঐক্য ও পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদারের পাশাপাশি যুবসমাজকে নেতৃত্বের জন্য প্রস্তুত করতে হবে। ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধের চর্চার মাধ্যমে সামাজিক দায়িত্ব পালনে তরুণদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তারা।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান। প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল হাশেম বক্কর। সম্মেলনের উদ্বোধন করেন পরিতোষ মহারাজ। ধর্মীয় বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন লেখক সুদর্শন চক্রবর্তী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আর কে দাশ রুপু, জাগো হিন্দু পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা মিলন কান্তি শর্ম্মা, কার্যকরী সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব দে পার্থ, প্রবর্তক শ্রীকৃষ্ণ মন্দিরের স্বতন্ত্র গৌরাঙ্গ দাস এবং নন্দনকানন ইসকন মন্দিরের তারক নিত্যানন্দ দাস।

একই সঙ্গে দেশের উন্নয়ন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সনাতনী সমাজের মধ্যে ঐক্য ও পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে যুবসমাজকে সম্পৃক্ত করতেই এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

সম্মেলনে জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, গোল পাহাড় মহাশ্মশান কালী মন্দির, ইসকন প্রবর্তক শ্রীকৃষ্ণ মন্দির, নন্দনকানন ইসকন মন্দির, শ্রী শ্রী তুলসীধাম চট্টগ্রাম, জাগো হিন্দু পরিষদ, বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট, রাম সেবক, হিন্দু সংহতি, সনাতনী বীর সংঘ, বাংলাদেশ সনাতনী স্বেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ সনাতন ফাউন্ডেশন, সনাতনী মুচকি হাসি, বাংলাদেশ সংখ্যালঘু সম-অধিকার, সচেতন সনাতনী নাগরিক এবং বাংলাদেশ সংখ্যালঘু অধিকার আন্দোলনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow